ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

‘ওমিক্রন’ ঠেকাতে পরামর্শক কমিটির বৈঠক


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
১১:০১ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১
‘ওমিক্রন’ ঠেকাতে পরামর্শক কমিটির বৈঠক

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‍ওমিক্রন নিয়ে।  আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া এ করোনাভাইরাস মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে বলেও জানা তারা। ভ্যারিয়েন্টটি ব্যাপকভাবে মিউটেট (আচরণ পরিবর্তন) করেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ভ্যারিয়েন্টের নাম দেওয়া হয়েছে বি.১.১.৫২৯। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এটির নাম দিয়েছে ওমিক্রন।

নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ স্থগিত করা হচ্ছে। সব বিমানবন্দর, স্থলবন্দর বা দেশের সব প্রবেশপথে স্ক্রিনিং আরও জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সারা দেশে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে ও মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার কয়েকটি প্রদেশে কিছু মানুষ এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে বাস্তবে এটি আরও ছড়িয়ে গেছে। এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ ঠেকাতে যুক্তরাজ্য এরই মধ্যে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি দেশ - দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, লেসোথো, এসওয়াতিনি - থেকে সব ফ্লাইট বাতিল ঘোষণা করেছে।

এই ভ্যারিয়েন্টটি কতটা দ্রুত ছড়াতে পারে, প্রচলিত টিকার মাধ্যমে এই ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ থেকে কতটা রক্ষা পাওয়া সম্ভব এবং এই ভ্যারিয়েন্ট থেকে সুরক্ষা পেতে কী করা যেতে পারে তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

এদিকে দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে যাদের পরামর্শ নিয়ে সরকার পদক্ষেপ নেয় সেই কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি রোববার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে ওমিক্রন নিয়ে বৈঠকে বসছে। সেখানেই তারা সরকারকে পরামর্শ দেবে নতুন ভ্যারিয়েন্টটি রুখতে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, অন্য দেশগুলো ইতোমধ্যে যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমাদের সিদ্ধান্তও সেটা হওয়া উচিত। দক্ষিণ আফ্রিকাসহ যে পাঁচটি দেশ রয়েছে, সেগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট বন্ধ তো করা উচিতই, সেই সঙ্গে ওই দেশগুলো থেকে যদি কোনো ভিজিটর অন্য দেশ ঘুরে দেশে আসে, ট্র্যাক করে তার আসাটাও বন্ধ করা হবে প্রথম কাজ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, যেসব হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, সেগুলোকে আবার প্রস্তুত রাখতে হবে। যে কোনো সময় যেন হাসপাতালগুলো পূর্ণমাত্রায় চালু করতে পারি। এখানে ঢিলেমি দেওয়া যাবে না।এমনটাই মন্তব্য করেছেন পরামর্শক কমিটির আরেক সদস্য অধ্যাপক ডা. ইকবাল আর্সলান।


একুশে সংবাদ/জা/তাশা