ঢাকা শুক্রবার, ১২ আগস্ট, ২০২২, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

মালদ্বীপে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড চলতি বছরে পর্যটক আগমনের


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০৩:২০ পিএম, ৫ জুন, ২০২২
মালদ্বীপে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড চলতি বছরে পর্যটক আগমনের

হাজারো দ্বীপের সংঘটিত দেশ মালদ্বীপ। পর্যটনেও এক নম্বর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। লাখ পাঁচেক এর বেশি জনসংখ্যার এ দেশটিকে ২০২০ সালে (ওয়ার্ল্ড বেস্ট টুরিস্ট ডেসটিনেশন) হিসেবে ঘোষণা করেছে ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম অর্গানাইজেশন।

 

মালদ্বীপের বিভিন্ন দ্বীপগুলোতে পর্যটকদের আকর্ষণের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়েছে দ্বীপ সরকার। পর্যটনের ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারও দিয়েছেন এই দেশটির বর্তমান সরকার। না দেওয়ারও কোনো কারণ দেখছেন না, পর্যটনের খাত থেকে মালদ্বীপের আয়ের প্রতি মাসে ৭০ শতাংশ আসে। মালদ্বীপের প্রায় এক হাজার দুইশত দ্বীপজুড়ে ছোট বড় অনেক ধরনের বিলাসী হোটেল ও কটেজ রয়েছে। এর মধ্যে বিশ্বের অনেক নামীদামী ব্র্যান্ডের হোটেল রেস্টুরেন্টের শাখাও রয়েছে। গতকাল স্থানীয় গণমাধ্যমে জানাজায় যে, মালদ্বীপের পর্যটক আগমনের সংখ্যা চলতি বছরের মে মাস যাবত সাত লাখ ছাড়িয়েছে।

 

মালদ্বীপের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে মে মাসের শেষ পর্যায়ে দেখা গেছে মোট সাত লাখ ছয় হাজার পর্যটক দেশটিতে আগমন করেছেন। মন্ত্রণালয়ের রেকর্ড অনুসারে, ভারত থেকে সর্বাধিক সংখ্যক পর্যটক ৯৯,৬১৪ জন দর্শনার্থীর আগমন। এটি মোট আগমনের সর্বোচ্চর ১৪.১ শতাংশ। ভারতের পরে যুক্তরাজ্যর অবস্থান, যেখানে ৮৮,০৪৩ জন দর্শনার্থী আগমন করেছেন, যা আগমনের সর্বোচ্চর দ্বিতীয় ১২.৫ শতাংশ পর্যটক।

 

চলতি বছরের শুরুতে আগমনের তালিকায় রাশিয়া এগিয়ে থাকলেও তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে দেশটি।  রাশিয়া থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ৬৭,০৮৮ পর্যটকের আগমন করেছে, যা এই বছরের সর্বোচ্চর তৃতীয় ৯.৫ শতাংশ পর্যটক।

 

প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪৬৪৮ জন দর্শনার্থী আগমন করেন মালদ্বীপে এবং গড়ে ৮.৭ দিন অবস্থান করেন।

চলতি বছরের মে মাসে ১,২৫৫২২ জন দর্শনার্থীর আগমনের সাথে অতীতের সব রেকর্ড ভেঙ্গে মে মাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক দর্শনার্থীর আগমনকে চিহ্নিত করেন মালদ্বীপ সরকার।

 

বর্তমানে মালদ্বীপে পর্যটকদের আগমন ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে কারণ মালদ্বীপ করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি মোকাবিলা করে স্বাভাবিক পর্যায়ে পিরে এসেছে। মুলতঃ সারা বিশ্বে বিধিনিষেধ শিথিল হওয়া এবং প্রত্যেক দেশের সীমানা পুনরায় চালু হওয়ায়।

 

বিশেষত, মালদ্বীপের ন্যায় বাংলাদেশের পুরো পর্যটন শিল্পকে বেসরকারিখাতে ছেড়ে দিয়ে সঠিক এবং সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিবহন ও রিসোর্ট তৈরি এবং কি বিদেশি পর্যটকদের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা নির্ধারণ করে সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করলে মালদ্বীপের মতো আমাদের দেশেও অর্থনীতিতে পর্যটনশিল্প বিরাট ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন এসব মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

 

একুশে সংবাদকম/ও.ফ.জা.হা