AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
১০:১৬ এএম, ২৬ মে, ২০২৬

কমলাপুরে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানীবাসী। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ট্রেনে চড়ে ঢাকা ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। আর সেই ঘরমুখো মানুষের ঢলে মুখর হয়ে উঠেছে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, স্টেশনের প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে উপচেপড়া ভিড়। কোথাও শিশুদের উচ্ছ্বাস, কোথাও স্বজনদের সঙ্গে দেখা হওয়ার অপেক্ষা—সব মিলিয়ে কমলাপুর যেন পরিণত হয়েছে এক আবেগঘন মিলনমেলায়।

স্টেশনের ভেতরে নানা বয়সী মানুষের ব্যস্ততা চোখে পড়ে। কারও হাতে বড় ট্রাভেল ব্যাগ, কেউ মাথায় বোঝা নিয়ে ছুটছেন প্ল্যাটফর্মের দিকে। আবার কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ট্রেনের অপেক্ষায় বসে আছেন। দীর্ঘদিন পর বাড়ি ফেরার আনন্দে ক্লান্তিও যেন হার মেনেছে।

জামালপুরগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রী মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, “সারা বছর কাজের চাপে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো হয় না। ঈদেই একটু সুযোগ মেলে। বাচ্চারা আগেই গ্রামের বাড়ি গেছে, আজ আমি রওনা দিলাম। মা বারবার ফোন করে জানতে চাইছে কখন পৌঁছাবো।”

চট্টগ্রামের বাসিন্দা শারমিন আক্তার, যিনি ভৈরবে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছেন, বলেন, “ছেলেটা ট্রেনে চড়তে খুব পছন্দ করে। ঈদ মানেই ওর কাছে গ্রামের বাড়ি, খোলা মাঠ আর আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আনন্দ।”

খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসের যাত্রী ও কলেজ শিক্ষক সাইফুল ইসলাম বলেন, “ঢাকার জীবনটা খুব যান্ত্রিক। ঈদের সময় গ্রামের বাড়িতে গেলে অন্যরকম শান্তি লাগে। বাবা-মায়ের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্যই তো সারা বছর অপেক্ষা করি।”

তবে আনন্দের মাঝেও ছিল টিকিট নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ। অনেক যাত্রী কাঙ্ক্ষিত দিনের টিকিট না পেয়ে বাধ্য হয়ে পরে যাত্রা করছেন বা দাঁড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

যাত্রী রাসেল আহমেদ বলেন, “অনলাইনে টিকিট কাটতে গিয়ে অনেক চেষ্টা করেও সোমবারের টিকিট পাইনি। শেষ পর্যন্ত আজকের টিকিট পেয়েছি। কিন্তু আমার বড় ভাই টিকিটই পাননি।”

আরেক যাত্রী কামরুজ্জামান বাবু বলেন, “অ্যাপে ঢুকতেই সব টিকিট শেষ হয়ে গেছে। তাই দাঁড়িয়ে যেতে হবে। কষ্ট হলেও বাড়ি যেতে পারবো—এটাই বড় কথা।”

এদিকে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে স্টেশনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেলওয়ে পুলিশ, আনসার সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের টিকিট যাচাই এবং যাত্রীদের সহায়তায় সক্রিয় থাকতে দেখা গেছে।

 

একুশে সংবাদ/ এ.জে

Link copied!