গভীর রাতে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনায় দুমড়ে-মুচড়ে গেছে একটি প্রাইভেটকার। পেছন দিক থেকে একটি গাড়ি সেটিকে ধাক্কা দিয়ে নম্বর প্লেট রেখে পালিয়ে যায়।
শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালুর এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই এ দুর্ঘটনা ঘটলো।
জানা গেছে, ওই প্রাইভেটকারটিতে নারী ও শিশুসহ ৫ জন ছিল। তবে এতে কেউ আহত হয়নি।
একটি লাইভ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, প্রাইভেটকারটি রাস্তার পাশে পার্কিং করা ছিল।
ভুক্তভোগী জানান, দ্রুত গতির একটি গাড়ি তাদের প্রাইভেটকারটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। পরে নম্বর প্লেট রেখেই গাড়িটি বনানীর দিকে পালিয়ে যায়। এতে প্রাইভেটকারটির পেছনের দিকটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
গত শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যদিয়ে যানজটের নগরীতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়।
আগামী জুনের মধ্যে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তখন এর পুরো সুফল পাবে নগরবাসী।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কাওলা) থেকে শুরু করে মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার হয়ে কুতুবখালী গিয়ে শেষ হবে। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬৫ শতাংশ। ২০২৪ সালের জুনে কাজ শেষ করার লক্ষ্য প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দক্ষিণে কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের মেইন লাইনের দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৫ কিমি এবং র্যাম্পের দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক শূন্য কিমি। র্যাম্পসহ মোট দৈর্ঘ্য ২২ দশমিক ৫ কিমি। এ অংশে ওঠানামার জন্য ১৫টি র্যাম্প (এয়ারপোর্ট-২, কুড়িল-৩, বনানী-৪, মহাখালী-৩, বিজয় সরণি-২ ও ফার্মগেট-১) রয়েছে। এরমধ্যে ১৩টি র্যাম্প যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
উড়াল সড়কটি তৈরি হচ্ছে সরকারের সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধানে। মূল উড়াল সড়ক ১৯.৭৩ কিলোমিটার। প্রকল্পে ওঠা-নামার জন্য ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩১টি র্যাম্প (সংযোগ সড়ক) রয়েছে। র্যাম্পসহ উড়ালসড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কিলোমিটার।
একুশে সংবাদ/স.ট.প্র/জাহা



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

