AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক: স্বাধীনতা থেকে সক্ষমতা – প্রকৃতি ছাড়া ভবিষ্যৎ নেই



গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক: স্বাধীনতা থেকে সক্ষমতা – প্রকৃতি ছাড়া ভবিষ্যৎ নেই

গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক উপলক্ষে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) School of Earth and Environment-এর উদ্যোগে প্রায় ৪০ জন তরুণ, জলবায়ু কর্মী এবং বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে একত্রিত হন।

জলবায়ু পরিবর্তনের জরুরি অবস্থা বিবেচনায় রেখে সর্বস্তরের তরুণরা অবিলম্বে এবং সম্পূর্ণ জীবাশ্ম জ্বালানিমুক্ত ভবিষ্যতের দাবিতে এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন। তারা জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে একটি পদ্ধতিগত পরিবর্তনের ডাক দেন, যা সবার জন্য ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক একটি বিশ্ব নিশ্চিত করবে।

তরুণরা তাদের উদ্ভাবনী শক্তি ও প্রচারণার মাধ্যমে একটি ‘জাস্ট ট্রানজিশন’ বা ন্যায্য রূপান্তরের পক্ষে আওয়াজ তোলেন। রঙিন ফেস্টুন, হাতে লেখা ব্যানার এবং প্ল্যাকার্ডের মাধ্যমে তারা বিশ্ববাসীর কাছে তাদের বার্তা পৌঁছে দেন।

সমাবেশে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য দিয়ে তৈরি একটি প্রতীকী দানবাকৃতির প্রতিকৃতি প্রদর্শন করা হয়, যা প্লাস্টিক দূষণ ও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতের ভয়াবহতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়।

পাশাপাশি, অংশগ্রহণকারীরা মাস্ক পরে জীবাশ্ম জ্বালানির দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি বিষয়ে একটি প্রতীকী প্রদর্শনী আয়োজন করেন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. তারিকুল ইসলাম, অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, ডিপার্টমেন্ট অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, ফ্যাকাল্টি অব এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট, পবিপ্রবি।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় পশ্চিমা বিশ্বকে অবশ্যই জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত রূপান্তর নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে বৈশ্বিক উদ্যোগ এখন অত্যন্ত জরুরি।”

এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন ক্লাইমেট অ্যাক্টিভিস্ট মো. রাফিন আবসার, ডেপুটি ক্যাম্পাস সিনেটর, School of Earth and Environment, যিনি বলেন, “আমরা তরুণরা আর নীরব থাকবো না। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আমরা প্রতিদিন অনুভব করছি। তাই এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি, যাতে একটি নিরাপদ ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা যায়।”

আরেক তরুণ জলবায়ু কর্মী ইবাদি গালিব, School of Earth and Environment, তাঁর বক্তব্যে বলেন, “জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। আমাদের ছোট ছোট উদ্যোগই একদিন বড় পরিবর্তনের পথ তৈরি করবে।”

এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন যুব সংগঠন একযোগে জলবায়ু ন্যায়বিচার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং টেকসই ভবিষ্যতের দাবিতে তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে।

বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সম্মুখসারিতে রয়েছে। এই ধরনের উদ্যোগ তরুণদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!