রাজশাহীর ঐতিহাসিক পুঠিয়া রাজবাড়ি ও মন্দির কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত মালদ্বীপের রাষ্ট্রদূত শিউনিন রশীদ। সফর শেষে দেশের অন্যতম বৃহৎ বানেশ্বর আমবাজার থেকে বিভিন্ন জাতের প্রায় ১৯৫ কেজি আমও কিনেছেন তিনি ও তাঁর সফরসঙ্গীরা।
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রদূত শিউনিন রশীদ সফরসঙ্গীদের নিয়ে দূতাবাসের গাড়িযোগে পুঠিয়া রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান এবং রাজবাড়ি কর্তৃপক্ষ।
পরে প্রতিনিধি দলটি পুঠিয়া রাজবাড়ি, গোবিন্দ মন্দির, আহ্নিক মন্দির এবং বড় শিব মন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তাঁদের কাছে প্রতিটি স্থাপনার ইতিহাস, স্থাপত্যশৈলী ও ঐতিহ্য সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। দীর্ঘ সময় রাজবাড়ি ও মন্দির প্রাঙ্গণে অবস্থান করে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর সৌন্দর্য উপভোগ করেন তারা।
দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে প্রতিনিধি দলটি বানেশ্বর আমবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়ে প্রায় ১৫ মিনিট পর সেখানে পৌঁছায়। বাজার পরিদর্শনের সময় তারা আমের কেনাবেচার কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
একপর্যায়ে বানেশ্বরের ‘বাণী ফল ভান্ডার’ থেকে আম্রপালি, ব্যানানা ম্যাংগো ও বারি-৪ জাতের মোট প্রায় ১৯৫ কেজি আম কেনেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। বিদেশি কূটনীতিকদের এমন আগ্রহে উচ্ছ্বসিত স্থানীয় আম ব্যবসায়ীরা। তাদের আশা, এ ধরনের সফর রাজশাহীর আমকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও পরিচিত করে তুলবে।
রাষ্ট্রদূতের সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন তাঁর আত্মীয়া সারাহ মাউরুফ আমির, দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব সায়া মোহামেদ ও মাইশান আহমেদ, পরিবারের সদস্য নাজরা মারিয়াম, মোহামেদ হুসাম ও মুসলিমা আমিনাথ। এছাড়া রাষ্ট্রদূতের সন্তান মোহামেদ লুথ নিশাম এবং দ্বিতীয় সচিব সায়া মোহামেদের সন্তান মোহামেদ ইভানও সফরে অংশ নেন।
দুপুর ২টা ৫ মিনিটে প্রতিনিধি দলটি বানেশ্বর আমবাজার ত্যাগ করে রাজশাহী মহানগরের উদ্দেশে রওনা দেয়। উপজেলা প্রশাসন জানায়, পুরো সফর শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি হয়নি।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

