শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বিএনপি`র এক নেতা বসার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছড়িয়ে পরলে এ নিয়ে নেট দুনিয়ায় ও স্থানীয় মানুষের মনে আলোচনা ও সমালোচনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, জয়কলস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল বাসিত সুজন আইনী জটিলতার কারণে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম থেকে সামান্য দূরে থাকার কারণে প্যানেল চেয়ারম্যানে দ্বারা ইউনিয়নের বিভিন্ন অফিসিয়াল কার্যক্রম চলছে। পদাধিকার বলে চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসার ক্ষমতা রাখেন বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান। কিন্তু দলের শক্তি প্রয়োগ করে চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসে আছেন শহীদুল হক নামক জয়কলস ইউনিয়ন যুবলের সভাপতি ।
এনিয়ে সচেতন মহলের মধ্যে হতাশাজনক এক প্রশ্নের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জয়কলস ইউনিয়নের নোয়াখালী বাজারের এক বাসিন্দা জানান, ইউনিয়নের সর্ব সাধারণের সম্মানের পাত্র হলেন ইউপি চেয়ারম্যান। আমরা যে যেই দলই করি না কেন, চেয়ারম্যান ও পরিষদের প্রতি সম্মান রাখা খুব দরকার ।
কিন্তু আজ আমাদের জয়কলস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহেবের চেয়ারে বসে অফিস করছেন, জয়কলস ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শহিদুল হক। বিষয়টি আসলেই পরিতাপের। জামলাবাজ গ্রামের এক যুবক জানান, আমি যত বড়ই নেতা হইনা কেন ` অন্যজনের অফিসিয়াল চেয়ারে বসা চরম অভদ্রতা। স্থান কাল পাত্র বেধে আমাদের চলতে হবে। অন্যের চেয়ারে বসে নিজেকে জাহির করার নাম নেতৃত্ব নয়।
এব্যাপারে জয়কলস ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান মো: সবুজ মিয়া বলেন, আমি ইউনিয়ন পরিষদের কাজে শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ছিলাম। চেয়ারে বসা ছবিটি দেখামাত্রই আমি আমাদের পরিষদের সচিবের কাছে সাথে সাথে ফোন করে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, যে ছবিটি কখন তুলা হয়েছে তিনিও তা জানেন না।
বিষয়টি আসলেই অত্যন্ত লজ্জাজনক আমরা অত্র পরিষদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তিনি যত বড় নেতা হোন আর যা কিছুই হন আমাদের পরিষদের চেয়ারে বসে ফেইসবুকে ছবি ভাইরাল করাটা হচ্ছে অভদ্রতার পরিচয়।
এব্যাপারে চেয়ারে বসা ব্যাক্তি জয়কলস ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শহীদুল হক বলেন, আমাদের জয়কলস ইউনিয়ন বিএনপি`র একটা মিটিং এ গিয়েছিলাম। আমি চেয়ারে বসেছি সত্য, কিন্তু কে ছবি তুলেছে আমি তা জানি না।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

