ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজ এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (১১ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষা শেষে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষার্থীদের একাংশ প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষকদের অতিরিক্ত কড়াকড়ির অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি নকল করতে না দেওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
পরীক্ষা শেষে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং দায়িত্বরত শিক্ষক ও পরীক্ষা-সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তারা কেন্দ্রের কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং দায়িত্বরত শিক্ষক ও পরীক্ষা-সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে।
ঘটনার পর পরীক্ষাকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

