নেত্রকোনার মদনে ১১ বছরের মাদ্রাসার শিশু শিক্ষকের ধর্ষণে ৬ মাসের অন্ত:সত্তা র ঘটনার তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদবতী মিস্ত্রীর স্বাক্ষরিত মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শারমিন শাহজাদীতে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্যন্যা সদস্যরা হলেন, একাডেকিম সুপার ভাইজার জোসনা আক্তার, তথ্য সেবা কর্মকর্তা হেপি আক্তার। তিন কার্যদিবসে সরজমিনে পরিদর্শনপূর্বক ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন অত্র কার্যালয়ে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
উক্ত পত্রে বলায় হয় সোশাল মিডিয়া ও পত্রিকায় প্রকাশিত কওমি মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক কর্তৃক ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগ উঠে। বর্তমানে শিশুটি গর্ভবতী ও মৃত্যুঝুঁকিতে রয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহাড় বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। আমান উল্লাহ ওই গ্রামের হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক ছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। উক্ত ভিডিওতে আমান উল্লাহ সাগর নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ডিএনএ টেস্ট করার জন্য দাবি জানান।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বেদবতী মিস্ত্রী জানান, জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশ ক্রমে উক্ত ঘটনা নিয়ে আমি একটি তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তিন কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আমি ঘটনাস্থলে সরজমিনে পরিদর্শন করেছি। মেয়ে ও মেয়ের মায়ের সাথে কথা বলেছি। তাদের সরকারের পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
উল্লেখ্য মাদ্রাসার ছাত্রী ছয় মাসের অন্ত:সত্তা হলে মেয়েটির মা গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মাদ্রাসার শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার ১৩ দিন অতিবাহিত হলেও শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

