রাজনীতির মাঠে নেতৃত্ব কেবল পদ-পদবির মাধ্যমে নির্ধারিত হয় না; সময়, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেই প্রেক্ষাপটে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তরুণদের কাছে পরিচিত রাজনৈতিক মুখ মাহমুদুল হাসান বাপ্পীকে দেখতে চান তাঁর সমর্থক ও অনুসারীদের একটি অংশ।
রাজনৈতিক সূত্র ও সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মাহমুদুল হাসান বাপ্পী অতীতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও সহ-সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগের টিম প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন।
সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলীয় কার্যক্রম, রাজপথভিত্তিক আন্দোলন-সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ ও মাঠপর্যায়ে সম্পৃক্ততার কারণে তরুণদের মধ্যেও তিনি পরিচিতি অর্জন করেছেন।
তাদের মতে, নেতৃত্বে দায়িত্ববোধ, ধারাবাহিকতা ও সাংগঠনিক সক্রিয়তার ভিত্তিতে তিনি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। রাজনৈতিক অবদান ও অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন হলে তাঁর জন্য নতুন দায়িত্বের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেছেন।
তরুণদের একাংশ মনে করছেন, বর্তমান সময়ে রাজনীতিতে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ ও উদ্যমের সমন্বয় প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় তারা মাহমুদুল হাসান বাপ্পীকে সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব হিসেবে দেখছেন।
তবে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন ও পদ-পদবি নির্ধারণ সম্পূর্ণভাবে দলের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তের বিষয়। ফলে শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে এই প্রত্যাশার প্রতিফলন কতটা দেখা যায়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
উল্লেখ্য, মাহমুদুল হাসান বাপ্পী গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার সন্তান।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

