ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে বিয়ের দাওয়াতে যাওয়া নিয়ে বাক-বিতণ্ডার ঘটনা কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামে এক সাবেক মেম্বার নিহত হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে নিহত জিতু মিয়া ওই গ্রামের আলাই মিয়ার ছেলে। রাতে হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ সময় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ধরমন্ডল গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জিতু মিয়ার গোষ্ঠী এবং রমজান মিয়ার গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বিভিন্ন সময়ই তারা তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষে জড়াত। সোমবার দুপুরে ধরমন্ডল গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যান জিতু মিয়া। খাওয়ার টেবিলে জিতু মিয়া কেন উপস্থিত হন তা নিয়ে রমজান মিয়া গোষ্ঠীর লোকজন আপত্তি করে ও ক্ষিপ্ত হয়। এ নিয়ে তাঁদের সঙ্গে জিতু মিয়ার বাক্বিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে প্রতিপক্ষের লোকজনদের টেটার আঘাতে জিতু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী জেলা হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম বলেন, বিয়ের দাওয়াতে খাবার টেবিলে জিতু মিয়ার উপস্থিতি নিয়ে রমজান মিয়া আপত্তি জানান। এ নিয়ে জিতু ও রমজান মিয়া গোষ্ঠীর লোকজনের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নিহত হয়েছেন। তাঁর মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে রাখা আছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

