বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসর শুরু হওয়ার একেবারে আগমুহূর্তে বড় অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। টুর্নামেন্ট শুরুর আগের দিন বৃহস্পতিবার সকালে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিক কাইয়ুম রশিদ আর্থিক সংকটের কথা উল্লেখ করে বিসিবির কাছে দল প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু। তিনি জানান, সকালে পাওয়া চিঠিটি নিয়ে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে আলোচনা চলছে।
ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, সকালে চিঠি পেয়েছি। সেখানে বিস্তারিতভাবে তাদের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। মূল কারণ হিসেবে আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এখন বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং খেলোয়াড়দের ব্যাপারেও ব্যবস্থাপনা করতে হবে।
এর আগে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ঘিরে নানা জটিলতার কথা উঠে আসে। বিসিবি পক্ষ থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তিকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি স্পন্সর সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ করে দল থেকে সরে দাঁড়ানোর আবেদন জানাল মালিকপক্ষ।
গত মৌসুমে খেলোয়াড় ও স্টাফদের পারিশ্রমিক বকেয়া রাখার অভিযোগে সমালোচনায় পড়ে চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজি। যদিও চলতি মৌসুমে মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে। এরপরও ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি ও ব্যাংক গ্যারান্টিসহ বিসিবির পাওনা পরিশোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে বিসিবি আগে জানিয়েছিল, প্রয়োজনীয় অর্থ পরিশোধের শর্ত পূরণ করা হয়েছে।
এরই মধ্যে দলটির বিদেশি খেলোয়াড়দের নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। কয়েকদিন আগে চট্টগ্রাম রয়্যালসের তিন বিদেশি ক্রিকেটার— পাকিস্তানের আবরার আহমেদ, আয়ারল্যান্ডের পল স্টার্লিং ও শ্রীলঙ্কার নিরোশান ডিকভেলা টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করেন। জানা গেছে, নিজ নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ড থেকে ছাড়পত্র না পাওয়ায় স্টার্লিং ও ডিকভেলা সরে দাঁড়ান। অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আবরার আহমেদের এনওসি স্থগিত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
বিপিএল শুরুর আগেই চট্টগ্রাম রয়্যালসের এই সিদ্ধান্ত টুর্নামেন্টের প্রস্তুতিতে নতুন করে জটিলতা তৈরি করেছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

