AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

তানোরে বোরো চাষে কৃষকের ভরসা স্যালোমেশিন


Ekushey Sangbad
সারোয়ার হোসেন, তানোর, রাজশাহী
০৫:৪৫ পিএম, ৫ মার্চ, ২০২৬

তানোরে বোরো চাষে কৃষকের ভরসা স্যালোমেশিন

রাজশাহীর তানোর বিলকুমারী বিলে বোরো চাষের জন্য কৃষকের একমাত্র ভরসা ডিজেল চালিত স্যালোমেশিন। আবার দুএকজনের ব্যক্তিগত ভাবে বানিজ্যিক মটর স্থাপন করা থাকলেও সেচ হার বেশির জন্য মটরে সেচ দিতে পারেন না কৃষকরা।

এতে করে কৃষকের একটু বেশি খরচ হলেও কোন সমস্যা মনে না করে স্যালোমেশিনে সেচ দিচ্ছেন কৃষকরা।উপজেলার বিলকুমারী(শিবনদী) বিলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শিবনদী ব্রীজ থেকে কামারগাঁ,ট্যাংরা,চৌবাড়িয়া ব্রীজ পর্যন্ত বোরো চাষের জন্য ডিজেল চালিত স্যালোমেশিন খালের ধারে সারি সারি করে রাখা রয়েছে।

জানা গেছে, বিলের বোরো জমি চৈত্র মাসের দিকে তীব্র খরার প্রর্কোটে ব্যাপক তাকে ফেটে চৌচির হয়ে পড়ে। যার জন্য দু-এক দিন পর পর বিলের বোরো জমিতে সেচ দিতে হয় কৃষকদের। ফলে বিলে কোন সেচ মটর পাম্প না থাকায় কৃষকরা বাধ্য হয়ে ঘন্টা চুক্তিতে স্যালোমেশিন দিয়ে জমিতে সেচ দিচ্ছেন। এতে করে বোরো চাষে কৃষকের বিঘা প্রতি সেচের খরচ পড়ছে তিনগুণ বেশি।

ডিজেল চালিত স্যালোমেশিন দিয়ে ঘন্টা চুক্তিতে কৃষকের একেক বিঘা জমিতে বোরো চাষের খরচ হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকার মত। যা সেচ মটরের মাধ্যমে সেচ দেয়া হলে খরচ পড়তো ১ হাজার টাকা থেকে ১২০০ টাকা। আর ব্যক্তিগত বানিজ্যিক মটরে সেচ দিতে নেয়া হচ্ছে ৪হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৪হাজার টাকা।

বেশকিছু কৃষক জানান,বিলে সেচ মটর স্থাপন না থাকায় অতিরিক্ত হারে ব্যক্তিগত মটরে সেচ দিয়ে তেমন ফলপ্রসূ হয়না কৃষকের। খাড়িতে যেটুকু পানি বেঁধে জমানো থাকে সেই পানি স্যালোমেশিন দিয়ে উত্তলন করে বোরো জমিতে সেচ দেয়া হয়। কিন্তু বর্তমানে বিলের যে অবস্থা তাতে আগামীতে বোরো চাষ করাই কষ্টকর হয়ে পড়বে কৃষকের।

কৃষক বাবু,সাইফুল আলী জানান, অনেক কৃষক বিলের জমিতে বোরো ধান চাষ করে সারাবছর জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। পাশাপাশি বিলে মাছ শিকার করে মৎস্যজীবী জেলেরা জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।
দিন দিন যে ভাবে বিলের খাড়িও ভরাট হয়ে যাচ্ছে তাতে বিলের খাড়ি খনন করা নাহলে বিলের জমিতে কৃষকের বোরো ধান চাষ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সাথে জেলেদেরও জীবিকা নির্বাহ কষ্টকর হয়ে পড়বে। সরকারের সুদৃষ্টি দিয়ে যদি বিলটি খনন করা হয় তাহলে একদিকে কৃষক বাঁচবে অন্যদিকে খাদ্যের অভাব অনেক টা দূর হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও নাঈমা খান জানান, তানোরের বিলে অনেক জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়,কিন্তু বিলে সেচ মটর আছে কি না সে বিষয়ে আমার জানা নেই,তবে কৃষকের সুবিধার জন্য আমার সর্বোচ্চ দিয়ে বিলের জমিতে বোরো চাষের জন্য সেচ দেয়ার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবো।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!