AB Bank
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
ekusheysangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

পরিণত ঘূর্ণিঝড়ের যেন ১০০টা হাইড্রোজেন বোমার সমান’!


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৭:২৬ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪
পরিণত ঘূর্ণিঝড়ের যেন ১০০টা হাইড্রোজেন বোমার সমান’!

আম্ফান, ইয়াসের স্মৃতি উসকে আসছে রেমাল। আজ রোববার রাতে সুন্দরবনের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় আছড়ে পড়ার শঙ্কা আছে প্রবল এই ঘূর্ণিঝড়ের। এর মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) দেয়া আগের এক তথ্য।  ঘূর্ণিঝড় রেমাল আছড়ে পড়ার আগেই ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বা ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর সামনে এসেছে। মূলত গত বছরের এপ্রিলে এসব তথ্য জানিয়েছিল আইএমডি।

তারা বলেছে, সাইক্লোনকে হিট ইঞ্জিনের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকার মহাসাগরগুলোরর উষ্ণ পানি এবং তার ওপরে থাকা আর্দ্র বাতাস থেকেই শক্তি সংগ্রহ করে ঘূর্ণিঝড়গুলো। জলীয় বাষ্প ঘনিভূত হয়ে জলের ফোঁটা বা বৃষ্টি তৈরি হয়। আর এর মাধ্যমে ওই শক্তি মুক্ত হয়। এই শক্তির খুব ছোট একটা অংশ (৩%) গতিশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যা ঘূর্ণিঝড়ের উইন্ডফিল্ডকে বজায় রাখে। আর এভাবেই পরিণত ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে শক্তি তৈরি হয়। এই শক্তি ১০০টি হাইড্রোজেন বোমার শক্তির সমান হতে পারে।

হাইড্রোজেন বোমাগুলি দ্বিতীয় প্রজন্মের পারমাণবিক অস্ত্র। অর্থাৎ, হিরোশিমা-নাগাসাকিতে যে বোমাগুলি ফেলেছিল আমেরিকা, সেগুলির তুলনায় আকারে ছোট, ওজনে কম কিন্তু এর ধ্বংসের ক্ষমতা অনেক গুণে বেশি। ১৯৫২ সালের ১ নভেম্বর, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে হাইড্রোজেন বোমা বোমা পরীক্ষা করেছিল। পরের বছর এই বোমা পরীক্ষা করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। এছাড়া, হাইড্রোজেন বোমা আছে ব্রিটেন, চিন এবং ফ্রান্সের হাতে।

অবস্থানগত কারণে বিশ্বের অন্যান্য অংশের তুলনায় বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বেশি হয়। এখনও পর্যন্ত এই অঞ্চল যতগুলি ঘূর্ণিঝড়ের সাক্ষী হয়েছে, তার মধ্যে সবথেকে বেশি প্রাণহানি হয়েছিল ১৯৭০ সালের কুখ্যাত বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড়ে। ঠিক কত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, তার কোনও সরকারি পরিসংখ্যান নেই। তবে, অন্তত ৩ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, এটা নিশ্চিত।

 

একুশে সংবাদ/স.ট.প্র/জাহা

Link copied!