AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

রান্না ঘরে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ, রহস্য



রান্না ঘরে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ, রহস্য

রাতের খাবার খেয়ে স্বামীর সঙ্গে ঘুমান বিজলী খাতুন (২৫) নামের ওই গৃহবধূ । এরপর রাত ২ টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে স্বামী জেগে যান। এসময় স্ত্রীকে বিছানায় না পেয়ে খুজতে থাকেন। পরে পাশের রান্না ঘরে গিয়ে দেখতে পান স্ত্রীর ঝুলন্ত মরা দেহ।

সোমবার রাতে ঘটনাটি  ঘটেছে কোটচাঁদপুরের সাফদারপুর আমতলা পাড়ায়। তবে স্বামী স্বজন কেউ জানেন না মৃত্যুর কারন। সে উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের বক্তার হোসেনের মেয়ে। পুলিশ মরা দেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ মর্গে পাঠিয়েছেন।

জানা যায়,চৌগাছার উজিরপুর গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে আক্তারুজ্জামান (রনি) (৩৫)। সে কোটচাঁদপুরের সাফদারপুর গ্রামীন ব্যাংক শাখায় চাকুরি করেন।

সেই সুবাদে সে কোটচাঁদপুর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের বক্তার হোসেনের মেয়ের সঙ্গে বিজলী খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের সময়টা তাদের দেড় বছর পার হয়েছে। এরমধ্যে দাম্পত্য জীবন তাদের ভালই চলছিল। তবে হঠাৎ করে সোমবার রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে মারা গেছেন বিজলী খাতুন।

নির্ভরযোগ্য একটি সুত্র জানান,রনির আগে দুই বিয়ে ছিল। বিজলী খাতুন ছিলেন তাঁর তৃতীয় স্ত্রী। তাঁর প্রথম স্ত্রী পারিবারিক কলহে চলে যান। আর দ্বিতীয় স্ত্রী মারা যান সিজারিয়ান অপারেশনের সময়। অন্যদিকে রনি ছিলেন বিজলী খাতুনের তৃতীয় স্বামী।

এ ব্যাপারে স্বামী  আক্তারুজ্জামান রনি বলেন,বিয়ের পর থেকে তাঁর সঙ্গে আমার কোন রকম বিরোধ ছিল না। সোমবার রাতে আমার ছেলে সহ তিন জন রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায়। এরপর রাত ২ টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে উঠে দেখি সে পাশের রান্না ঘরের ফ্যানের হুকের সঙ্গে দড়ি দিয়ে গলায় ফাঁস নিয়েছেন।

তিনি বলেন, এ সময় আমি হঠাৎ তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায়। তারপর আমি ঘর মালিক ও আমার কলিগকে বিষয়টি জানায়। তারা এসে তাকে রশি থেকে নামানো হয়।

বিজলীর পিতা বত্তার হোসেন বলেন, দেড় বছর হয়েছে তাদের বিয়ে হয়েছে। কোন দিন কোন বিরোধ আমি তাদের মধ্যে দেখিনি। তবে কেন মারা গেল আমি বুঝতে পারছিনা। পরে থানা মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ মর্গে পাঠিয়েছেন।

এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানার (ওসি তদন্ত)  আনসারুল্লাহ হক বলেন,খবর পেয়ে আমি সহ আমার সার্কেল স্যার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। বিষযটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!