কুড়িগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করতে এসে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোরকিপার মো. মমিনুল ইসলাম। এ ঘটনায় হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী মমিনুল ইসলামের অভিযোগ, সরকারি অফিস আদেশ অনুযায়ী তিনি ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সাত দিনের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করতে আসেন। নির্ধারিত কক্ষ না থাকায় তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করছিলেন। এ সময় হাসপাতালের পরিসংখ্যানবিদ মো. এরশাদুল হক কক্ষে প্রবেশ করে তার ভিডিও ধারণ শুরু করেন। ভিডিও ধারণের কারণ জানতে চাইলে এরশাদুল হক ক্ষিপ্ত হয়ে জুতা ও পাশের একটি চেয়ার ছুড়ে মারেন। এতে তিনি এবং সেখানে উপস্থিত আরও কয়েকজন আহত হন। পরে তাদের চিৎকারে পাশের কক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে পরিচয় দেওয়া মোছা. ফৌজিয়া দাবি করেন, এরশাদুল হকের বিরুদ্ধে অতীতেও সহকর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে চাকরি বিধি লঙ্ঘন, পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও উঠেছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে পরিসংখ্যানবিদ মো. এরশাদুল হক বলেন, পুরোনো কিছু ফাইল পর্যালোচনার কাজ চলছিল। সে কারণে তিনি ভিডিও ধারণ করছিলেন। এ বিষয়টি নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক এসে বিষয়টির মীমাংসা করেন।
কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, ঘটনার পর উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলা হয়েছে। তারা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করে বিষয়টির সমাধান করেছেন। এর বাইরে এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

