AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বৃষ্টির পরও কেন কমে না গরম, বরং বাড়ে অস্বস্তি?


Ekushey Sangbad
লাইফস্টাইল ডেস্ক
১০:০৯ পিএম, ১৪ জুন, ২০২৬

বৃষ্টির পরও কেন কমে না গরম, বরং বাড়ে অস্বস্তি?

গরমের দিনে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে স্বস্তি পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক সময় উল্টো চিত্র দেখা যায়। বৃষ্টির পরও গরমের অনুভূতি কমে না, বরং চারপাশ আরও গুমোট হয়ে ওঠে।

শরীর ঘামে ভিজে যায়, ত্বকে সৃষ্টি হয় আঠালো অনুভূতি। তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে-বৃষ্টি হওয়ার পরও কেন গরম কমে না, আর ঘামই বা কেন বেশি হয়?

আবহাওয়া ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মূল কারণ হলো শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া এবং বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি। বৃষ্টির পর বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে যায়, ফলে ঘাম সহজে শুকাতে পারে না। শরীর ঘামের মাধ্যমে তাপ বাইরে বের করে দেয়, কিন্তু আর্দ্রতা বেশি থাকলে সেই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে শরীর আরও গরম অনুভব করে এবং অস্বস্তি বাড়তে থাকে।

তাই বৃষ্টি হলেও সব সময় যে গরম কমবে, এমন নয়। বরং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে গরমের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।
 

শরীর কেন ঘামে

মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা প্রায় নির্দিষ্ট থাকে। বাইরে গরম বা ঠান্ডা যাই হোক, শরীর সেই তাপমাত্রা ধরে রাখার চেষ্টা করে। এই ভারসাম্য রক্ষা করতে শরীর ঘামের সাহায্য নেয়।

গরমে শরীর ঘামের মাধ্যমে ত্বকের তাপ কমায়। ঘাম ত্বকের ওপর এসে বাষ্পে পরিণত হলে শরীর কিছুটা শীতল হয়।

আসল সমস্যা কোথায়

গোলমাল শুরু হয় তখনই, যখন বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে। আর্দ্রতা মানে বাতাসে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি।

বৃষ্টির পর পরিবেশে এই আর্দ্রতা বেড়ে যায়। ফলে ঘাম সহজে শুকায় না। ঘাম ত্বকের ওপর থেকে বাষ্পে পরিণত হতে না পারায় শরীর ঠান্ডা হতে পারে না।

ফলে শরীর একদিকে ভিজে থাকে, অন্যদিকে গরমের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক সময় মনে হয় ঘাম বেশি হচ্ছে, কিন্তু আসলে সমস্যা হলো ঘাম শুকাতে না পারা। ঘাম জমে থাকায় শরীর আঠালো হয়ে যায় এবং অস্বস্তি বাড়ে।

অর্থাৎ, বৃষ্টির পর ঘাম বাড়ে না, বরং ঘামের কার্যকারিতা কমে যায়।

অনুভূত তাপমাত্রার রহস্য

আবহাওয়ার প্রতিবেদনে দেখা যায়, তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি হলেও “অনুভূত তাপমাত্রা” আরও বেশি হয়। কারণ বাতাসের আর্দ্রতা এই অনুভূতিকে বাড়িয়ে দেয়।

আর্দ্রতা যত বেশি, শরীরের কাছে গরম তত বেশি তীব্র মনে হয়।

বৃষ্টি মানেই সব সময় স্বস্তি নয়। যদি বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে, তাহলে শরীরের ঘাম শুকাতে পারে না। ফলে গরম কমার বদলে অস্বস্তিই বাড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কারণেই অনেক সময় বৃষ্টির পরও মানুষ ঘেমে-নেয়ে একাকার হয়ে যায় এবং গরমের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!