AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

তানোরে আলু উত্তোলনের পর ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণী


Ekushey Sangbad
সারোয়ার হোসেন, তানোর, রাজশাহী
০৭:১০ পিএম, ২৭ মার্চ, ২০২৬

তানোরে আলু উত্তোলনের পর ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষক-কৃষাণী

রাজশাহীর তানোরে আলু উত্তোলনের পর ওই জমিতে ধান রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক-কৃষাণীরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান রোপণে কাজ করছেন আদিবাসী পল্লীর শ্রমিকরা। এছাড়াও উপজেলা জুড়ে চলছে আলু উত্তোলনের ধুম। আলু তোলার সঙ্গে সঙ্গে জমিতে পানি এনে পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষ করে ধান রোপণ করা হচ্ছে।

এদিকে বিলপাড়ের আগাম বোরো ধানের পরিচর্যায়ও ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে পুরোদমে আলু উত্তোলন শুরু হলেও এখনো ব্যাপকভাবে ধান রোপণ শুরু হয়নি। এ কারণে ধান রোপণের শ্রমিকদের চাহিদা ও মজুরি তুলনামূলক কম।

গত রোববার বিকেলে চাপড়া গ্রামের পশ্চিমে ধান রোপণ করতে দেখা যায় আদিবাসী নারী-পুরুষ শ্রমিকদের। তারা জানান, ১৪ জন মিলে চুক্তিভিত্তিক জমি রোপণ করছেন। প্রতি বিঘা জমি রোপণে তারা ১,৭০০ টাকা পাচ্ছেন, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কম। সাধারণত প্রতি বিঘা জমিতে ২,০০০ থেকে ২,৪০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি পাওয়া যায়।

শ্রমিক দুলাল ও অনু জানান, ১৪ জন শ্রমিক মিলে দিনে প্রায় পাঁচ বিঘা জমি রোপণ করা সম্ভব। তবে পর্যাপ্ত জমি প্রস্তুত না থাকায় কাজ কম পাওয়া যাচ্ছে। ৫ বিঘা জমি রোপণ করে ৮,৫০০ টাকা আয় হয়, যা ১৪ জনে ভাগ করে নিলে জনপ্রতি প্রায় ৬০০ টাকা পড়ে।

মহিলা শ্রমিক মিলেন, তিনা, ঝমলা ও শান্তি জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করেও দৈনিক ৬০০ টাকা মজুরি খুবই কম। তারা বলেন, “এক বেলা আলু তোলার কাজ করলে ৫০০ টাকা পাওয়া যায়। আমরা মূলত জমি রোপণ, পরিচর্যা, কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ করি। কিন্তু আমাদের শ্রমের ন্যায্য মূল্য দেওয়া হয় না।”

তারা আরও জানান, পুরোদমে ধান রোপণ শুরু হলে শ্রমিকদের চাহিদা ও মজুরি—দুটোই বাড়বে। বর্তমানে কাজ কম থাকায় বাধ্য হয়ে কম মজুরিতে কাজ করতে হচ্ছে।

জানা গেছে, উপজেলায় দুই ধাপে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়ে থাকে। বিলকুমারী বিলপাড়ের জমিতে আগাম বোরো চাষ হয় এবং আলু উত্তোলনের পর দ্বিতীয় দফায় বোরো ও আউশ ধানের চাষ করা হয়। বর্তমানে বিলপাড়ের জমির বোরো ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছেন কৃষকরা।

তবে সারের তেমন সংকট না থাকলেও ন্যায্য মূল্যে সার না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে কৃষকদের।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহম্মেদ জানান, পুরোদমে আলু উত্তোলন শুরু হয়েছে। আলু উত্তোলনের পর জমিগুলোতে বরাবরের মতো বোরো ও আউশ ধানের চাষ করা হয়। এতে খরচ তুলনামূলক কম হলেও ফলন ভালো হয়।

তিনি আরও জানান, এ বছর উপজেলায় ১৪ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!