পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, যারা মুখে ইনসাফ-ন্যায়ের কথা বলে, প্রকৃতপক্ষে তারা ইনসাফের রাজনীতি করেন নাই। ইনসাফের রাজনীতি সবসময় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে হয়েছিল। আগামীদিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ইনসাফ-ন্যায় প্রতিষ্ঠা করে দেশটাকে আমরা গড়তে চাই।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পৌর যুবদলের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর পাবলিক লাইব্রেরি ও টাউন হলে এ ইফতারের আয়োজন করা হয়।
এ্যানি বলেন, একটা কঠিন দায়িত্ব হলো দেশ পরিচালনা করা। দেশের নেতৃত্ব দেওয়া, দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করে জনগণের পাশে থেকে কাজ করা। এ দায়িত্বটুকু পালন করতে গেলে সজাগ এবং সতর্ক থাকতে হবে। কারণ যারা আজকে মুখে ইনসাফের কথা বলেন, যারা ন্যায়ের রাজনীতির কথা বলেন, প্রকৃতপক্ষে তারা ইনসাফের রাজনীতি করেন নাই।
তারা ন্যায়ের রাজনীতি করেন নাই। তারা দেশের মানুষকে জিম্মি করে রাজনীতি করেছে, গুপ্ত রাজনীতি করছেন। ইনসাফের রাজনীতি সবসময় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে হয়েছিল, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে হয়েছিল। আগামীদিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ইনসাফ এবং ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করার মধ্যে দিয়ে এ বাংলাদেশটাকে আমরা গড়তে চাই। এজন্য যুবদল এবং তরুণ ছাত্ররাই অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, আমাদের যে মন্ত্রণালয়, এটা আমার দায়িত্ব থেকে বলছি, এটা হলো পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। প্রেসিডেন্ট জিয়া যেভাবে খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে একটা স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়েছিলেন। এদেশে তিনি যেভাবে উৎপাদন এবং উন্নয়নের রাজনীতিকে অব্যাহত রেখেছেন, আমরা আগামীদিনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নয়ন এবং উৎপাদনের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
নতুনভাবে বাংলাদেশটাকে গড়বো। সে জন্য বিশেষ করে যুব সমাজের সহযোগীতা কামনা করছি। যুবসমাজের জন্য লক্ষ্মীপুরে কি ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে, সেটা নিয়ে আমরা কিছু কাজ করছি। আগামীদিনে সেটাকে দৃশ্যমান করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি৷
বিএনপির এ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা তারেক রহমান দেশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব, আমরা ক্ষমতা পেয়েছি- একথা বলার সুযোগ নেই। জনগণের পাশে থাকা, জনগণের খেদমত করা এবং যেদিন থেকে শপথ নিয়েছেন ওইদিন আমরা ওনার (তারেক রহমান) নেতৃত্বে আমরা সবাই দায়িত্বশীল অবস্থান থেকে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছি। জনগণের কাজ করার জন্য আমরা সারা বাংলাদশে ঘুরি বেড়াচ্ছি। অনেক কাজ আমাদেরকে পাঁচটি বছর করতে হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, বাফুফে সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়েজ আহম্মেদ, সদস্য সচিব মুনসুর আহম্মেদ প্রমুখ।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

