ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সরাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবুবকর সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ইউএনও সাহেব ২৪ ঘন্টা উনার দপ্তরের দাপ্তরিক একটি চিঠির গোপনীয়তা রক্ষা করতে পারেন নাই, উনি কি করে নির্বাচনের মত এতবড় দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বলেন, গত ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ আচরণ লঙ্ঘনের বেশ কিছু অভিযোগ ইউএনও এবং ডিসি অফিসে দিয়ে ছিলাম, এখনো কিন্তু তার কোন আপডেট পাইনি, সেই ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বা কোন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকারি কর্মকর্তারা আমার কিন্তু জানা নেই।
রবিবার দিবাগত-রাতে রুমিন ফারহানার ফেসবুক পেইজ থেকে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, আমার প্রতিপক্ষ বা আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যারা আছেন মাঠে বিশেষ করে বিএনপির সমর্থিত জোটের প্রার্থী যিনি আছেন তিনি প্রতিদিন মাইকিং করে, স্টেজ বানিয়ে মাইক ও সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে বড় বড় জনসভা করছেন। তাদের ফাইল সংযুক্ত করে আমরা সরকারি ঘরে জমা দিয়েছি। কিন্তু তাঁরা এখন পর্যন্ত তাদের ব্যাপারে নম্নতম পদক্ষেপ নেবার সাহস আমরা কিন্তু দেখি নাই।
আমার প্রশ্ন, যে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার নিজের সই করা চিঠি গোপনীয়তা ২৪ ঘন্টা রাখতে পারেন না তার হাতে ৫ লক্ষ ভোটারের ভোট কিভাবে আমানত হিসাবে ভরসা করে দেয়। তিনি কি করে নির্বাচনের দিন নির্বাচনের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে। অনেকগুলো কারণে প্রশ্ন করছি বড় দলের প্রার্থী যখন প্রতিদিন নির্বাচন বিধি আচরণ লঙ্ঘন করছেন তাদের ব্যপারে সরকারি কর্মকর্তাদের আমরা প্রতিদিন মোটামুটি অবগত করছি কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নিতেন পারছেন না।
তিনি আরও বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর বৃদ্ধাঙ্গুল কথা এসেছে, বৃদ্ধাঙ্গুল ব্যাপারটা হচ্ছে আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তিনি একটি জনসভায় স্টেজ করে মাইক ব্যবহার করে জনসভায় তিনি এইরকম বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়িতে। কারণ গাড়িটা সিকিউরিটি পারপাসে মিটিংয়ে বাইরে ছিল। সেটাই আমি দেখে ছিলাম, উনারা যে আপনাদের বৃদ্ধাঙ্গুল দেখান, বলেন ম্যাজিস্ট্রেট কিছু করতে পারে না। আমাদের কিছু করতে পারবে না। সত্যি আপনারা কিছু করতে পারছেন না। কিন্তু আজকে আপনার দপ্তরের চিঠি গোপনীয় তা ২৪ ঘন্টা রক্ষা করতে পারলেন না।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

