AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

শেরপুর–শ্রীবরদী–বকশীগঞ্জ–রৌমারী রেলপথ সম্প্রসারণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু


Ekushey Sangbad
মো: আসিফ, শ্রীবরদী, শেরপুর
০৩:৪২ পিএম, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬

শেরপুর–শ্রীবরদী–বকশীগঞ্জ–রৌমারী রেলপথ সম্প্রসারণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু

জামালপুর থেকে শেরপুর, শ্রীবরদী ও বকশীগঞ্জ হয়ে কুড়িগ্রামের রৌমারী পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

রেলপথ পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অনুবিভাগের শাখা-২-এর উপসচিব শেখ শামছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, প্রকল্পটি যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পন্ন হলে চূড়ান্ত বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে।

প্রাথমিকভাবে জামালপুর থেকে শেরপুর হয়ে নাকুগাঁও স্থলবন্দর পর্যন্ত নতুন সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণের লক্ষ্যে সমীক্ষা শুরু করা হয়। তবে পরবর্তীতে গত ১ জানুয়ারি প্রকল্পটির নাম পরিবর্তন করে ‘শেরপুর–রৌমারী রেলওয়ে কানেকটিভিটির জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা’ নির্ধারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (আরএডিপি) প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এর অনুমোদন দিয়েছে। এ বিষয়ে জারি করা নির্দেশনাপত্রে স্বাক্ষর করেন উপসচিব শেখ শামছুর রহমান। চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি এক চিঠির মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, শেরপুর, শ্রীবরদী, বকশীগঞ্জ, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে রেলপথ স্থাপনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। সাংবাদিক সলিমুল্লাহ সেলিম, এম. শাহীন আল আমীন, মহিউদ্দিন সোহেলসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ জনগণ মানববন্ধন, সভা-সমাবেশ, মিছিল এবং বিভিন্ন সময়ে রেল মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন জানিয়ে আসছেন। একাধিক জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও এতদিন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শেরপুর জেলার তিনটি উপজেলা, জামালপুর জেলার দুটি উপজেলা এবং কুড়িগ্রাম জেলার দুটি উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে নাকুগাঁও স্থলবন্দর, বকশীগঞ্জের ধানুয়া–কামালপুর স্থলবন্দর এবং রৌমারী স্থলবন্দর ব্যবহার করে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

রেলপথ চালু হলে সরকার রেল খাতে অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের এই বিস্তীর্ণ এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক চিত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে উপসচিব শেখ শামছুর রহমান বলেন, “প্রকল্পটির বিষয়ে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। বর্তমানে যাচাই-বাছাই ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলমান রয়েছে। সমীক্ষা সম্পন্ন হলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ শুরু হবে।”

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!