মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে গণঅধিকার পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করা হয়েছে।ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নূরুল হক নূর এবং সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানসহ শতাধিক নেতাকর্মীর ওপর জাতীয় পার্টির সন্ত্রাসী ও আওয়ামী লীগের সহযোগী প্রশাসনের বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জাহিদুর রহমানের নির্দেশে বিক্ষোভ মিছিলে মুন্সীগঞ্জ জেলার গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন নেতাকর্মীরা যোগ দেন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১২টার পর শ্রীনগর উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা ডাকবাংলা মোড় থেকে বের হয়ে শ্রীনগর ছনবাড়ী এলাকায় গিয়ে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকা মুখী লেনে অবস্থান নেয়। প্রায় ১৫ মিনিট ওই লেন অবরোধের পর মাওয়া মুখী লেনেও অবরোধ করা হয়। এ সময় উপদেষ্টা সাজিব ভূঁইয়ার গাড়িবহর মুন্সীগঞ্জে যাওয়ার পথে পৌঁছালে নেতা-কর্মীরা মহাসড়ক ছেড়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। পরে প্রশাসনের অনুরোধে তারা সমাবেশ থেকে সরে আসেন।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন— সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুন্সীগঞ্জ জেলা গণঅধিকার পরিষদ মো. শহিদুল ইসলাম সেতু, শ্রীনগর উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আহসান হাবীব শ্যামল, সহ-সভাপতি মো. রিপন শেখ, সহ-সভাপতি ওহাব দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আলামিন মাঝি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আরাফাত শেখ সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক মো. রাসেল, সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. সামাদ, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মো. উজ্জ্বল হোসেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শাকিল আহমেদ বেপারী, শ্রীনগর উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. ইথেন মৃধা, সাধারণ সম্পাদক মো. রাফিনসহ জেলা, উপজেলা ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুরুল হুদা খান বলেন, “সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শ্রীনগর সার্কেল) স্যারসহ আমাদের টিম ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে উপস্থিত নেতাকর্মীদের বুঝিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যেই কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই মহাসড়ক থেকে সরাতে সক্ষম হই।”
একুশে সংবাদ/মু.প্র/এ.জে