সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় জনশৃঙ্খলা ও শোকের পরিবেশ বজায় রাখতে একাধিক নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় কোনো ধরনের আতশবাজি বা পটকা ফোটানো যাবে না। পাশাপাশি ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোও সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে খোলা জায়গায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র্যালি কিংবা শোভাযাত্রার আয়োজন করা যাবে না।
এছাড়া অতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ড—যেমন উচ্চস্বরে গাড়ির হর্ন বাজানো বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এমন যেকোনো কাজ—থেকে সবাইকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।
বুধবার বিকেলে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। দাফনকার্যে প্রথমে অংশ নেন তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি নিজ হাতে মাকে কবরে সমাহিত করেন।
এর আগে একই দিন দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের উদ্দেশ্যে জিয়া উদ্যানে নেওয়া হলে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে অসংখ্য মানুষ প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। পুরো এলাকায় তখন শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করছিল।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

