AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

অস্ট্রেলিয়ায় পিএইচডি পেলেন মাভাবিপ্রবি রসায়ন বিভাগের নাঈম


Ekushey Sangbad
মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি
০১:৩৫ পিএম, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় পিএইচডি পেলেন মাভাবিপ্রবি রসায়ন বিভাগের নাঈম

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) রসায়ন বিভাগের (সেশন ২০১৭–১৮) মেধাবী শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলাম নাঈম অস্ট্রেলিয়ার স্বনামধন্য University of Adelaide-এ ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে (২০২৬) প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান কিউএস-এ ৮২তম এবং টাইমস হায়ার এডুকেশন তালিকায় ১৩৩তম।

নাঈম তার স্নাতক (অনার্স) প্রকল্প ও স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) থিসিস সম্পন্ন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু রাশেদের তত্ত্বাবধানে। তার একাডেমিক ফলাফলে অনার্সে সিজিপিএ ৩.৬০ এবং মাস্টার্সে সিজিপিএ ৩.৭৯ অর্জন করেন তিনি।

তার গবেষণার মূল বিষয়বস্তু ন্যানো কম্পোজিট উপাদান ব্যবহার করে ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল সেন্সর উন্নয়ন, যা অত্যন্ত ক্ষুদ্র মাত্রায় ক্ষতিকর রাসায়নিক ও দূষক শনাক্ত করতে সক্ষম।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নাঈম বলেন, “এ অর্জনের পেছনে কোনো শর্টকাট ছিল না; বরং মৌলিক বিষয়গুলো গভীরভাবে বোঝা, নিয়মিত ল্যাবে কাজ করা এবং ধৈর্য ধরে এগিয়ে যাওয়াই ছিল তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।অনেক সময় পরীক্ষায় ব্যর্থতা এসেছে, প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি।

শুরুতে তা হতাশাজনক মনে হলেও পরে বুঝেছি, এই ব্যর্থতাগুলোই শেখার সবচেয়ে বড় সুযোগ। ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে, পদ্ধতি উন্নত করে আবার চেষ্টা করেই ধীরে ধীরে নিজেকে এগিয়ে নিয়েছি।”

নিজের এই অর্জনকে মহান আল্লাহর ইচ্ছার ফল উল্লেখ করে নাঈম বলেন, “এই যাত্রা আমাকে আরও ধৈর্যশীল, পরিশ্রমী ও আত্মবিশ্বাসী করেছে। সামনে আরও অনেক কিছু শেখার আছে। আমার অভিজ্ঞতা যদি কাউকে সামান্যও অনুপ্রাণিত করে, সেটাই হবে সবচেয়ে বড় পাওয়া। "

এদিকে নাঈমের তত্ত্বাবধায়ক এবং মাভাবিপ্রবি রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু রাশেদ তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “করোনা-পরবর্তী সময়ে সেশনজটসহ নানা জটিলতার কারণে থিসিস গবেষণায় শিক্ষার্থী পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়েছিল।

সেই পরিস্থিতিতে নাঈমকে আমি নিজেই খুঁজে বের করি এবং তাকে গবেষণায় যুক্ত করি। সে চতুর্থ বর্ষের প্রথম সেমিস্টার থেকেই আমার সঙ্গে কাজ শুরু করে।”

তিনি আরও বলেন, “নাঈম অত্যন্ত আন্তরিক ও পরিশ্রমী একজন শিক্ষার্থী। গবেষণার প্রতি তার নিষ্ঠা শুরু থেকেই চোখে পড়ার মতো ছিল। তার এই সাফল্যে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। আমার তত্ত্বাবধানে কাজ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সে তৃতীয়। তার এই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জন নিঃসন্দেহে আমার জন্য গর্বের।”

গত ১১ এপ্রিল দেশ ছেড়ে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান তিনি।

 

 

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!