AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ইবির বৈশাখীয়ানা উৎসবে নামাজের সময় গান বাজনার অভিযোগ


Ekushey Sangbad
ইবি প্রতিনিধি
১১:৩৭ এএম, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

ইবির বৈশাখীয়ানা উৎসবে নামাজের সময় গান বাজনার অভিযোগ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অনুষ্ঠিত ‘বৈশাখীয়ানা উৎসব-১৪৩৩’ চলাকালে মাগরিবের নামাজ শেষ না হতেই উচ্চ শব্দে গান-বাজনা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনেই বটতলায় অনুষ্ঠান চলায় নামাজরত মুসল্লিদের ইবাদতে বিঘ্ন ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এ উৎসব সামাজিক সংগঠন ‘স্বপ্নবিতান’-এর উদ্যোগে বটতলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এতে ৩৩টি স্টল অংশ নিয়েছে এবং সাংস্কৃতিক আয়োজনও রয়েছে। তবে উদ্বোধনের দিনই মাগরিবের নামাজের সময় উচ্চ শব্দে অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কেন্দ্রীয় মসজিদে মাগরিবের ফরজ নামাজ শেষে সালাম ফেরানোর পরপরই উচ্চ শব্দে গান-বাজনার আওয়াজ ভেসে আসে। সে সময় অনেক মুসল্লি সুন্নত নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তবে অতিরিক্ত শব্দের কারণে তাদের মনোযোগ ব্যাহত হয়।

এছাড়া, যারা মূল জামায়াতে অংশ নিতে পারেননি, তারা মসজিদের পেছনে নতুন করে জামায়াত শুরু করেন। কিন্তু উচ্চ শব্দের মধ্যে তাদের জন্যও একাগ্রতা বজায় রেখে নামাজ আদায় করা কঠিন হয়ে পড়ে। মসজিদের একেবারে সামনে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ায় শব্দের মাত্রা আরও তীব্র ছিল, যা নামাজরত মুসল্লিদের ইবাদতে স্পষ্টভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। ফলে অনেকের জন্যই নামাজে মনোযোগ ধরে রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার খান মিজান বলেন, নামাজের সময় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে অনুষ্ঠান চলাকালে গান-বাজনা বন্ধ না রাখা দুঃখজনক ও দায়িত্বহীনতার প্রকাশ। নামাজের স্বল্প সময়টুকুতে শব্দ বন্ধ রাখা উচিত ছিল। বিষয়টি কোনো ছোট ঘটনা নয়, বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের অভাব প্রকাশ করে। ব্যক্তিগত বিনোদনের কারণে ধর্মীয় ইবাদতের সময় বিঘ্ন সৃষ্টি করা গ্রহণযোগ্য নয়। তার মতে, ইবাদতের সময়টুকুতে সংবেদনশীলতা দেখানোই একটি সচেতন সমাজের পরিচয়।

এ বিষয়ে স্বপ্নবিতানের সভাপতি সায়েম আহমেদ বলেন, আমি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত, লজ্জিত এবং যাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে তাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আমরা কখনোই কারো ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনতে চাইনি।

আমাদের অনুষ্ঠানের অনেক সদস্যই নামাজে ছিল এবং আমরা তাদের কাছ থেকে কনফার্ম হয়েছিলাম যে ফরজ নামাজ শেষ হয়েছে এবং সদস্যদের কাছ থেকেও একই তথ্য পেয়েই অনুষ্ঠান শুরু করি, তবে বুঝতে পারিনি যে অনেকেই নামাজে পরে যোগ দিয়ে সুন্নত নামাজ আদায় করেন-এ কারণেই গরমিল হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমরা ৩০ মিনিট বিরতি ও অতিরিক্ত ১০ মিনিট সময় দিয়েছিলাম, কিন্তু আরও সময় দেওয়া উচিত ছিল যার কারণে আমরা ক্ষমাপ্রার্থী। আগামীকালের আয়োজনে আমরা নামাজ সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আরও ১০–২০ মিনিট বাড়তি বিরতি নিশ্চিত করব এবং মসজিদের দিকে সর্বনিম্ন শব্দ যাওয়ার বিষয়টি খেয়াল রাখব। আবারও আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।

 

 

একুশে সংবাদ/ওজি 

Link copied!