AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

সংকটের ছায়ায় শিক্ষা কার্যক্রম: নিটারের সামনে দ্বিমুখী বাস্তবতা


Ekushey Sangbad
একুশে সংবাদ ডেস্ক
০১:১৪ পিএম, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

সংকটের ছায়ায় শিক্ষা কার্যক্রম: নিটারের সামনে দ্বিমুখী বাস্তবতা

দেশব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব ধীরে ধীরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সাভারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ (নিটার) প্রতিষ্ঠানটির হোস্টেলের জেনারেটরটি বর্তমানে জ্বালানি তেলের অভাবে কার্যত বন্ধ অবস্থায় রয়েছে।

জ্বালানি সংকটের কারণে পূর্বে ক্যাম্পাসের বাস চলাচল বন্ধ থাকার ঘটনাও দেখা গেছে। এই অবস্থায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নির্দেশনা হিসেবে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইন ক্লাস চালুর কথা বলেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট এর এক প্রতিবেদনে ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে, যার মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। প্রায় ১৭ কোটি মানুষের এ দেশে জ্বালানির বড় একটি অংশই আমদানির ওপর নির্ভরশীল, যা সংকটকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

জ্বালানি ঘাটতির প্রভাব শুধু পরিবহন বা শিল্প খাতে সীমাবদ্ধ নেই, শিক্ষা খাতও এখন এর প্রভাব অনুভব করছে। নিটারের মতো একটি বিশেষায়িত প্রকৌশল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে ল্যাবরেটরি কার্যক্রম, বিভিন্ন মেশিন পরিচালনা এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।

অপরদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনলাইন-অফলাইন সমন্বিত ক্লাস ব্যবস্থাপনা নিটারের জন্য বাস্তবায়ন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। বিশেষ করে অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে ল্যাবভিত্তিক বিষয়গুলো পুরোপুরি শেখা সম্ভব নয়। তাঁত, বুনন কিংবা রঞ্জন প্রক্রিয়ার মতো বিষয়গুলো সরাসরি হাতে-কলমে না করলে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনে ঘাটতি থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অন্যদিকে, জ্বালানি সংকটের কারণে যদি জেনারেটর চালু রাখা না যায়, তাহলে অফলাইন ক্লাস পরিচালনাও ব্যাহত হতে পারে-কারণ বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট উভয়ই অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। ফলে শিক্ষার্থীরা কার্যত দুই দিক থেকেই ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

ক্যাম্পাসে উপস্থিত থেকেও কার্যকর শিক্ষা না পাওয়ার হতাশা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ বাড়াতে পারে এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব পড়তে পারে টেক্সটাইল খাতে দক্ষ প্রকৌশলী তৈরির ওপরও, যা দেশের শিল্প খাতের জন্য উদ্বেগজনক।

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, “শুধু নিটার নয়, দেশের বেশিরভাগ জায়গাতেই অনলাইন ক্লাসের জন্য পর্যাপ্ত পরিবেশ নেই। আর অনলাইনে ক্লাসের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা কঠিন হয়ে যায়।”

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!