জামালপুরের মাদারগঞ্জে ধর্মবোন সেজে প্রতারণার মাধ্যমে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের ঘটনায় অভিযুক্ত এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে লুট করা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়, মেলান্দহ উপজেলার বেলতৈল বাজার থেকে অটোরিকশাযোগে জামালপুরের একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে যাওয়ার পথে খাদিজা নামে এক নারীর সঙ্গে এক অজ্ঞাতনামা নারীর পরিচয় হয়। অটোরিকশায় কথোপকথনের একপর্যায়ে ওই নারী খাদিজাকে ধর্মবোন হিসেবে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে তারা মোবাইল নম্বরও আদান–প্রদান করেন।
এর প্রায় ছয় মাস পর গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ওই প্রতারক নারী মিষ্টি, জুস ও গরুর মাংস রান্না করে মাদারগঞ্জ উপজেলার দুধিয়াগাছা এলাকায় খাদিজার বাড়িতে হাজির হন। সঙ্গে আনা খাবার পরিবারের সবাইকে খাওয়ানোর পর তারা অচেতন হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করা হয়।
এরপর সুযোগ বুঝে প্রতারক নারী ঘরে থাকা প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ও ২ লাখ টাকা নিয়ে রাতের আঁধারে পালিয়ে যান।
ঘটনার পর খাদিজা মাদারগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত নারীর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ট্র্যাক করে দীর্ঘ এক মাস অভিযান চালিয়ে স্বর্ণালংকার উদ্ধারসহ তাকে আটক করে।
পুলিশ জানায়, বুধবার মেলান্দহ উপজেলার হাজরাবাড়ী বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত সুফিয়া বেগমকে আটক করা হয়। তিনি মেলান্দহ উপজেলার হরিনাচাইল এলাকার ছাইফুলের স্ত্রী।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, “এক মাস আগে খাদিজা নামে এক নারী প্রতারণার অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল নম্বর ট্র্যাক করে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। পরে স্বর্ণালংকার উদ্ধারসহ তাকে আটক করা হয়েছে এবং আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

