ঢাকা শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১, ৩১ বৈশাখ ১৪২৮

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad
Janata Bank
Rupalibank

তামাকের কর বৃদ্ধি, অতিরিক্ত রাজস্ব আয় এবং প্রত্যাশা’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৩:২৮ পিএম, ৪ মে, ২০২১
তামাকের কর বৃদ্ধি, অতিরিক্ত রাজস্ব আয় এবং প্রত্যাশা’ শীর্ষক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

সোমবার (৩ মে) তামাকমুক্ত বাংলাদেশ মঞ্চ আয়োজিত ‘আসন্ন বাজেট: জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাকের কর বৃদ্ধি, অতিরিক্ত রাজস্ব আয় এবং আমাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়। ওয়েবিনারের সভাপতিত্ব করেন তামাকমুক্ত বাংলাদেশ মঞ্চের সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়েবিনারে রাশেদ খান মেনন, বেগম ওয়াসিকা আয়শা খান ও খাদিজাতুল আনোয়ার যুক্ত ছিলেন। অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অব.) আব্দুল মালিক,  জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসের ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার (এনসিডি) ডা. সৈয়দ মাহফুজুল হক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী জেবুন্নেছা বেগম, জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী জিল্লুর রহমান চৌধুরী ও ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডসের লিড পলিসি অ্যাডভাইজর মোস্তাফিজুর রহমান।এ সময় বক্তারা বলেন, 

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাকের ব্যবহার কমানোর লক্ষ্যে আসন্ন ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে তামাক দ্রব্যের কর বৃদ্ধির পক্ষে মত দিয়েছেন সংসদ সদস্যরা। তারা সব স্তরের সিগারেটের খুচরা মূল্যের ৬৫ শতাংশ, বিড়ির ৪৫ শতাংশ এবং ধোঁয়াবিহীন তামাক পণ্যের খুচরা মূল্যের ওপর ৬০ শতাংশ সুনির্দিষ্ট শুল্ক আরোপের প্রস্তাবনা দিয়েছেন।

এজন্য সুনির্দিষ্ট করারোপের মাধ্যমে তামাক দ্রব্যের দাম বাড়াতে চিঠিতে অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাবেন বলে তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। প্রস্তাব বাস্তবায়ন করা হলে শুধু সিগারেট থেকেই অতিরিক্ত তিন হাজার ৪০০ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হবে।

ওয়েবিনারের শুরুতে তামাক কর বৃদ্ধি বিষয়ক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালের রোগতত্ত্ব ও গবেষণা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সোহেল রেজা চৌধুরী।

প্রস্তাবে বলা হয়, তামাকের কর বাড়িয়ে এর দাম বৃদ্ধি ও সহজলভ্যতা হ্রাস করতে পারলে প্রায় ১১ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ী ধূমপান ছেড়ে দিতে উৎসাহিত হবে। পাশাপাশি ৮ লাখের বেশি তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবে। যার মধ্যদিয়ে পরবর্তীতে ৩ লাখ ৯০ হাজার বর্তমান ধূমপায়ী এবং ৪ লাখ তরুণের অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।

ওয়েবিনারে অংশ নেওয়া সংসদ সদস্যরা সুনির্দিষ্ট করারোপের মাধ্যমে তামাক পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাবে সমর্থন জানান। জনস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দিয়ে তামাকের ব্যবহার কমানোর জন্য অর্থমন্ত্রী ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে প্রস্তাব পাঠানোর বিষয়েও তারা মত দেন।

ওয়েবিনারে সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নে নির্দেশনা দিয়েছেন। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সরকারি দফতর, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সবাইকে অবশ্যই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। তামাক পণ্যে সুনির্দিষ্ট করারোপসহ আইন সংশোধনের মাধ্যমে এই লক্ষ্য দ্রুত অর্জন করা সম্ভব। এজন্য রোডম্যাপ বাস্তবায়নেও জোর দেন সাবের হোসেন চৌধুরী।

 

 

একুশে সংবাদ/রা/ব