গরমের সময়ে বাংলাদেশে অনেকেই দ্রুত ক্লান্তি ও অস্বস্তি অনুভব করেন। এ সময় শরীরে আরামদায়ক, বিশেষ করে সুতি কাপড়ের পোশাক না থাকলে সেই অস্বস্তি আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই নারী-পুরুষ উভয়েরই আবহাওয়ার উপযোগী ও আরামদায়ক পোশাক বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
আরামদায়ক পোশাক শুধু স্বস্তিই দেয় না, বরং দৈনন্দিন কাজকর্মেও স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। গরম হোক বা হালকা ঠান্ডা—প্রাকৃতিক ও বাতাস চলাচল উপযোগী কাপড়ের পোশাকই শরীরকে সবচেয়ে বেশি আরাম দেয়।
শুধু কাপড় নয়, পোশাকের রংও গরম অনুভবের ওপর প্রভাব ফেলে। বিজ্ঞান অনুযায়ী, সাদা ও হালকা রঙের পোশাক সূর্যের তাপ কম শোষণ করে। অন্যদিকে কালো ও গাঢ় রঙের পোশাক বেশি তাপ শোষণ করায় শরীরে অস্বস্তি বাড়ায়।
তাই গরমে সাদা, আকাশি, হালকা নীল, গোলাপি, হালকা হলুদ, বেগুনি ও ধূসর রঙের পোশাক বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
নারীদের জন্য সুতির কুর্তি, ফতুয়া, শাড়ি কিংবা লিনেনের পোশাক হতে পারে আদর্শ পছন্দ। ব্লকপ্রিন্ট, হালকা এমব্রয়ডারি বা স্ক্রিন প্রিন্টের কাজ পোশাকে বৈচিত্র্য আনলেও তা যেন ভারী না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অফিসগামী নারীরা সুতির ছাপা শাড়ি, টাঙ্গাইল শাড়ি বা ব্লক-বাটিকের শাড়ি ব্যবহার করতে পারেন। হালকা রঙের ব্লাউজ ও আরামদায়ক কাটও গরমে স্বস্তি এনে দেয়।

গরমে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আরামদায়ক পোশাক হিসেবে টি-শার্টের বিকল্প নেই। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য হালকা রঙের সুতি টি-শার্ট স্বস্তিদায়ক। এছাড়া জাম্পস্যুট, লম্বা শার্টধর্মী পোশাক, পালাজো কিংবা স্কার্টও গরমের দিনে আরাম দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গরমের সঙ্গে লড়াইয়ে পোশাক নির্বাচনে কিছু কৌশল অনুসরণ করলেই অনেকটা স্বস্তি পাওয়া সম্ভব। তাই তীব্র গরমে সাদা বা হালকা রঙের সুতি ও লিনেন কাপড়ের ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে শরীর যেমন ঠান্ডা থাকবে, তেমনি বজায় থাকবে ফ্যাশন ও স্বাচ্ছন্দ্য।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

