২৫ বছর পার হওয়ার পর থেকেই অনেকেই অ্যান্টি-এজিং স্কিন কেয়ার শুরু করেন। যদিও এ বয়সে ত্বকে বার্ধক্যের স্পষ্ট ছাপ দেখা যায় না, তবু ভবিষ্যতের যত্নের কথা ভেবেই অনেকে রেটিনল সিরাম বা কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করেন। তবে ত্বক ও চুলে প্রকৃত পরিবর্তন সাধারণত ৩০-এর পর থেকে বেশি চোখে পড়ে।
ঘুমের ঘাটতি, মানসিক চাপ, অপুষ্টি, পর্যাপ্ত পানি না পান করা এবং হরমোনের ভারসাম্যহীনতার মতো নানা কারণে ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য প্রভাবিত হতে পারে। তাই শুধু অ্যান্টি-এজিং স্কিন কেয়ারের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যাভ্যাসের দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। অনেক ক্ষেত্রে সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যই ত্বক ও চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
দরকার ওমেগা-৩
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এর জেরে কোলাজেন ক্ষতিগ্রস্ত হয় না এবং চুলের ফলিকলও দুর্বল হয়ে পড়ে না। খুশকি তাড়াতে, ব্রণ কমাতে এবং ত্বকের কোমলতা ধরে রাখতে ওমেগা-৩ জরুরি। আখরোট, ফ্ল্যাক্সসিডস, চিয়া সিডস এবং মাছ খেয়েই ওমেগা-৩-এর ঘাটতি মেটাতে পারেন।
প্রোটিনের সঙ্গে আপস নয়
সার্বিক সুস্থতার জন্য প্রোটিন দরকার। চুল ও ত্বকের গঠনেও প্রোটিনের ভূমিকা অপরিসীম। প্রোটিনের ঘাটতি থাকলে চুল পড়ে, ত্বকের ক্ষত সেরে ওঠে না, কোলাজেন গঠন কমে যায়। তাই রোজের পাতে ডিম, দই, পনির, ডাল, চিকেন ইত্যাদি রাখা উচিত।
পাতে চাই ভিটামিন সি
শরীরে কোলাজেন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করে ভিটামিন সি। এটি চুলের গঠন ঠিক রাখে এবং ত্বকের কোমলতা বজায় রাখে। ত্বকের জেল্লা বাড়াতেও ভিটামিন সি-এর জুড়ি মেলা ভার। তবে ভিটামিন সি সিরাম মাখার বদলে আমলকি, মুসাম্বি লেবু, কমলালেবু, বেলপেপার ইত্যাদি খেলে বেশি উপকার পাবেন।
আয়রন ও ফোলেট
চুল-ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে দরকার আয়রন ও ফোলেট। এই দুই পুষ্টি চুল পড়া কমায় এবং নিস্তেজ ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে। এমনকী নখেরও যত্ন নেয়। বিভিন্ন ধরনের শাকপাতা, বিটরুট, বেদানা, সব রকমের ডাল, কুমড়োর দানা ইত্যাদি আয়রন ও ফোলেট পাবেন। সঙ্গে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারও খাবেন। তা না হলে উপকার পাবেন না।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

