ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।
বিক্ষোভকারীরা রাইসিনা রোডে স্থাপিত উচ্চ নিরাপত্তার পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও তরুণদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এই কর্মসূচির ডাক দেয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, এ ঘটনার দায় নিয়ে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে।
আন্দোলনের ২১তম দিনে, গত ১৮ জুলাই অনশনরত অবস্থায় বিশিষ্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে পুলিশ আটক করে। পরে তাকে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোনম ওয়াংচুককে আটক করার পর আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্ট অভিমুখে ‘লং মার্চ’-এর ঘোষণা দেন। সোমবার (২০ জুলাই), ভারতের পার্লামেন্টের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিন সকালে সেন্ট্রাল দিল্লির যন্তর মন্তরে হাজারো শিক্ষার্থী, তরুণ নেতা ও অধিকারকর্মী জড়ো হয়ে ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
ধস্তাধস্তি ও মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ
বিক্ষোভকারীদের আটকাতে পুরো এলাকা একাধিক স্তরে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। মোতায়েন করা হয় শত শত নিরাপত্তা কর্মী। মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।
এ সময় বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মধ্য দিল্লির বেশকিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ তীব্র লাঠিচার্জ চালিয়েছে বলে জানা গেলেও দিল্লি পুলিশ তা অস্বীকার করেছে।
অফিসিয়াল বিবৃতিতে পুলিশের দাবি , ঘটনাটি পেশাদারত্বের সঙ্গে সামাল দেওয়া হচ্ছে ও সহিংসতা ঘটেনি। একই সঙ্গে ফেসবুকে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সূত্র: দ্য প্রিন্ট
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

