AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

দিল্লির ছাত্র আন্দোলন নিয়ে যা বললেন রাহুল গান্ধী


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৯:৪১ পিএম, ২০ জুলাই, ২০২৬

দিল্লির ছাত্র আন্দোলন নিয়ে যা বললেন রাহুল গান্ধী

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী।

শিক্ষার্থীদের ওপর টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, এ ধরনের দমন-পীড়ন কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক আচরণ হতে পারে না।

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সম্প্রতি পার্লামেন্ট অভিমুখে পদযাত্রার চেষ্টা করেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। এ সময় দিল্লি পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।

এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় রাহুল গান্ধী বলেন, “তরুণরা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করছে। এতে কোনো ভুল নেই। কিন্তু সরকার ও পুলিশের আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। শিক্ষার্থীদের ওপর টিয়ারগ্যাস ও লাঠিচার্জ চালানো কোনোভাবেই ভারতীয় গণতন্ত্রের পরিচয় হতে পারে না।”

ভিডিওবার্তার সঙ্গে তিনি পুলিশের অভিযানের দৃশ্য ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। রাহুল বলেন, “রাজপথে নামা তরুণ-তরুণীরা কোনো অপরাধী নয়। তারা শুধু একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও কার্যকর শিক্ষা ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছে।”

রাহুল গান্ধী স্পষ্ট জানান, দেশটির একটি বিশাল অংশই তরুণ জনগোষ্ঠী। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা যেভাবে চলছে তাতে সবাই চরম বিরক্ত। আরএসএস যেভাবে শিক্ষাব্যবস্থা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দখল করে রেখেছে, তা নিয়ে ক্ষোভ জমছিল। শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নেওয়ার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, তরুণদের এই প্রতিবাদকে সরকারের সম্মান জানানো উচিত।

যেভাবে শুরু হলো আন্দোলন
সম্প্রতি মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে ভারতের তরুণ সমাজ। এ ঘটনায় দেশটির শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের ডাক দেয় সিজেপি।

আন্দোলনের ২১তম দিনে গত ১৮ জুলাই অনশনরত অবস্থায় বিশিষ্ট অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। বর্তমানে তিনি দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

সোনম ওয়াংচুককে তুলে নিয়ে যাওয়ার পরই আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্ট অভিমুখে লং মার্চের ঘোষণা দেন।

সোমবার (২০ জুলাই) ভারতের পার্লামেন্টের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর দিনে এই লং মার্চের ডাক দেওয়া হয়। সকালে সেন্ট্রাল দিল্লির যন্তর মন্তরে জড়ো হন হাজার হাজার শিক্ষার্থী, তরুণ নেতা ও অ্যাক্টিভিস্ট।

বিক্ষোভকারীদের আটকাতে পুরো এলাকা একাধিক স্তরে ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ। মোতায়েন করা হয় শত শত নিরাপত্তা কর্মী। মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তীব্র ধস্তাধস্তি শুরু হয়। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মধ্য দিল্লির বেশকিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তবে পরিস্থিতি সামলাতে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে আন্দোলনকারী নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী জানান, সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই বৈঠক হয়েছে। আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে লিখিত স্মারকলিপি নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রাজপথ ছেড়ে জনগণকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সাহায্য করার জন্য বিক্ষোভকারীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। সূত্র: এনডিটিভি

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!