AB Bank
  • ঢাকা
  • সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ক্রয় ভারতের


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১০:৩৮ পিএম, ৪ জুলাই, ২০২৬

অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ক্রয় ভারতের

প্রায় ৫২ হাজার কোটি রুপি সমমূল্যের বেশ কয়েকটি সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ পরিষদ (ডিএসি)।

সশস্ত্র বাহিনীর জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এবং অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার লক্ষ্যে এই অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোনবিধ্বংসী সরঞ্জাম, নজরদারি ও চালকবিহীন ব্যবস্থা জোরদার করা।

ভারতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে এই অনুমোদন হলো প্রথম ধাপ। এই ধাপের মাধ্যমে ক্রয়ের জন্য নীতিগত অনুমতি মেলে। এরপর রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি), বাণিজ্যিক মূল্যায়ন এবং চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনার মতো পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়ে থাকে।

নতুন ক্রয়প্রস্তাবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য আকাশ তরঙ্গ অ্যান্টি-আনম্যানড অ্যারিয়াল ভেহিকল (ইউএভি) ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম, ম্যান পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল (এমপিএটিজিএম) সিস্টেম, মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (এমআরএসএএম) বা মাঝারি পাল্লার ভূপৃষ্ঠ থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, ভেরি শর্ট-রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (ভি-শোরেডস), ট্যাংকের জন্য অ্যাক্টিভ প্রটেকশন সিস্টেম (এপিএস) এবং জেট-চালিত কামিকাজে ড্রোন সিস্টেম ক্রয়ের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

আকাশ তরঙ্গ ব্যবস্থাটি শত্রুপক্ষের ড্রোন থেকে সেনাবাহিনীকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইউএভি বা চালকবিহীন বিমানের বিরুদ্ধে সুরক্ষার ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে এই সরঞ্জামটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হবে।

এ ছাড়া এমপিএটিজিএম ব্যবস্থাটি সাঁজোয়া যানের হুমকি মোকাবিলায় পদাতিক বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। আর এমআরএসএএম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বিভিন্ন ধরনের আকাশপথের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা প্রদান করবে।

ভি-শোরেডস ব্যবস্থাটি মাল্টি-স্পেকট্রাল সেন্সর দ্বারা সুসজ্জিত থাকবে, যা শত্রুপক্ষের পাল্টা প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কার্যকরী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এপিএস প্রযুক্তির কারণে অ্যান্টি-ট্যাংক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে সুরক্ষা পাওয়ায় ট্যাংকের টিকে থাকার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ভারত, এতে যা আছে
অন্যদিকে, জেট-চালিত কামিকাজি ড্রোন ব্যবস্থা কম খরচে অধিক কার্যকারিতা ও টিকে থাকার ক্ষমতার পাশাপাশি আরও উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা বৈদ্যুতিক যুদ্ধ সক্ষমতা নিশ্চিত করবে।

এদিকে ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য মাল্টি ইনফ্লুয়েন্স গ্রাউন্ড মাইন (এমআইজিএম), নেভাল শিপবর্ন আনম্যানড অ্যারিয়াল সিস্টেম (এনএসইউএএস) এবং ইলেকট্রিক প্রপালশন ব্যবস্থার জন্য একটি ল্যান্ড-বেসড টেস্টিং ফ্যাসিলিটি (এলবিটিএফ) কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
এই মাইনগুলো শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে ভারতীয় নৌবাহিনীকে সমুদ্র-অবরোধ সক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করবে এবং ভারতীয় জলসীমায় শত্রুদের চলাচল সীমিত করবে। এনএসইউএএস-এর উন্নত সেন্সর ব্যবস্থার কারণে তা সামুদ্রিক নজরদারি সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

ভারতীয় বিমানবাহিনীকেও (আইএএফ) একটি ফিক্সড-উইং হাই-অল্টিটিউড সিউডো স্যাটেলাইট (এফডব্লিউ-এইচএপিএস) কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিমানবাহিনীর আরও কয়েকটি ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
এই প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে বিমানবাহিনীর আইএসআর (ইন্টেলিজেন্স, সারভেইলেন্স অ্যান্ড রিকনেসান্স বা গোয়েন্দা তথ্য, নজরদারি ও অনুসন্ধান), টেলিযোগাযোগ এবং রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!