পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারকে মারধর এবং তার কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এস. এম. ফয়সাল আহমেদ (মনির মোল্লা) সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (২৯ জুন) রাতে উপজেলার কালাইয়া বন্দরে এ ঘটনা ঘটে।
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদার অভিযোগ করেন, বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। সোমবার রাতে তারা মিছিল নিয়ে তার কার্যালয়ে এসে ভাঙচুর চালান এবং তাকে মারধর করেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির নেতারা জানান, গত শনিবার রাতে ফ্যাসিবাদবিরোধী মিছিল চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা হয়। এতে বিএনপির অন্তত ১০ জন নেতা-কর্মী আহত হন এবং প্রায় ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালাইয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
তাদের দাবি, মিছিলটি গরুরহাট এলাকায় পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফিরোজ হাওলাদারের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় তাকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হলে তিনি বিএনপির কর্মীদের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করেন। পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ভাঙচুর বা হামলার ঘটনায় বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নন বলেও দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে মারধর ও অফিসে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

