ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার একটি গ্রামে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার নিগুয়ারী ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে পাগলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকে ওই গৃহবধূ তার স্বামী ও তিন বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে ৭ থেকে ৮ জন মুখোশধারী ব্যক্তি তাদের ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা গৃহবধূর স্বামীকে বেঁধে মারধর করে এবং অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে জোরপূর্বক বাড়ির অদূরে একটি স্থানে নিয়ে যায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সেখানে তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরে অভিযুক্তরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
নির্যাতিতার মা বলেন, “আমার মেয়ের ওপর যারা এমন নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সাহাব নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

