AB Bank
  • ঢাকা
  • সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

সীমান্তে রাতের আঁধারে ২৮ জনকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হলো বিএসএফ



সীমান্তে রাতের আঁধারে ২৮ জনকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হলো বিএসএফ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বাঙ্গাবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ২৮ জনকে ‘পুশ ইন’ করার চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এ নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে প্রায় দুই দিন সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থানের পর তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে নেয় বিএসএফ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক রবিউল ইসলাম বলেন, গতকাল রাত পর্যন্ত তারা শূন্যরেখায় অবস্থান করছিল। তবে আজ (শনিবার) সকাল থেকে তাদের আর সেখানে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিএসএফ তাদের ফিরিয়ে নিয়েছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের পুশ ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

স্থানীয় ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে বাঙ্গাবাড়ি বিওপির সীমান্ত পিলার ২০৩/৬-আর দিয়ে ভারতের ১২ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আশরাফপুর ক্যাম্পের সদস্যরা ২৮ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইন করার চেষ্টা করে। দলে ১২ জন পুরুষ, ১০ জন নারী ও ৬ জন শিশু ছিল।

ঘটনার খবর পেয়ে বাঙ্গাবাড়ি বিওপির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের শনাক্ত করে এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশে বাধা দেয়। ফলে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান নেয়।

পরে একই দিনে দুপুর ১২টা ও বিকেল আড়াইটার দিকে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি জানায়, কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে থাকলে তা দুই দেশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা হবে। কিন্তু রাতের আঁধারে কাউকে পুশ ইন করা গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানায় বিজিবি।

অন্যদিকে বিএসএফ জানায়, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া তাদের ফেরত নেওয়া সম্ভব নয়। ফলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই বৈঠক শেষ হয় এবং ২৮ জন শূন্যরেখায় অবস্থান করতে থাকে। এ সময় বিজিবির অনুরোধে বিএসএফ তাদের খাবার সরবরাহ করে।

এদিকে বৃহস্পতিবার রাতভর বৃষ্টির কারণে ওই ২৮ জন শূন্যরেখার আমগাছের নিচে অবস্থান করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় সেখানে কান্নার শব্দ শোনা যায়।

 

একুশে সংবাদ/ এ.জে

Link copied!