নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছারপোকার উপদ্রব বেড়েছে। ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ হাসপাতালে চিকিৎসার পাশাপাশি রাতভর ছারপোকার কামড় সহ্য করতে হচ্ছে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এ পোকার ব্যাপক উপদ্রব দেখা দেওয়ায় রোগীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
বুধবার (৩ জুন) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৫০ শয্যাবিশিষ্ট এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ৪৮ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে মহিলা ওয়ার্ডে ২৩ জন, আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১৫ জন, শিশু ওয়ার্ডে ৬ জন এবং অতিরিক্ত ৪ জন রোগী শয্যা ছাড়াই মেঝেতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোগীদের অভিযোগ, দিনের বেলায় ছারপোকার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও রাত নামলেই শয্যা, বালিশ ও চাদরে ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য ছারপোকা। ফলে স্বাভাবিকভাবে ঘুমাতে পারছেন না তাঁরা। বিশেষ করে শিশু, নারী ও বয়স্ক রোগীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। অনেকের শরীরে ছারপোকার কামড়ের দাগ ও চুলকানির কারণে তীব্র অস্বস্তির সৃষ্টি হয়েছে।
ভাবিচা ইউনিয়ন থেকে চিকিৎসা নিতে আসা তাপস নামের এক রোগী বলেন, “সুস্থ হওয়ার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি, কিন্তু ছারপোকার কামড়ে রাত কাটানোই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। চিকিৎসার পাশাপাশি এখন নতুন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।”
অন্যদিকে মান্দা উপজেলার আলালপুর গ্রাম থেকে আসা আলমগীর হোসেন বলেন, “ওয়ার্ডগুলো নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং কার্যকর কীটনাশক প্রয়োগ করা হলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল নাহিদ বলেন, “আগে ছারপোকার এমন কোনো সমস্যা ছিল না। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

