শেষ মুহূর্তে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে কোরবানীর পশুর হাট। জেলা সদরের যাত্রাপুর, কাঁঠালবাড়ি ও মোগলবাসা হাটসহ জেলার ৯টি উপজেলায় গড়ে উঠা শতাধিক হাটে এ বছর প্রচুর পরিমাণে উঠেছে প্রান্তিক খামারীদের গরু।
হাটে প্রচুর পরিমাণ গরু আসলেও গত বছরের তুলনায় ক্রেতা কম। তবে গরুর দাম নিয়ে ক্রেতারা সন্তুষ্ট হলেও বিক্রেতাদের মনে অসন্তোষের ছাপ। গত বছরের তুলনায় গরুর দাম কম হওয়ায় খামারীদের অভিযোগ তারা লস করে গরু বিক্রি করছেন।
সরেজমিনে কোরবানীর পশুর হাট পরিদর্শন করে জানা যায়, বিক্রেতারা বড় গরুর দাম হাঁকাচ্ছেন ২ থেকে ৩ লাখ টাকা। এছাড়া ১০০ থেকে ১৫০ কেজি ওজনের গরুর দাম চাচ্ছেন ১ থেকে দেড় লাখ টাকা।
বিভিন্ন হাট ইজারাদারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নদনদী বেষ্টিত কুড়িগ্রাম জেলায় প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক চরাঞ্চলে প্রচুর পরিমাণ গরুর খামার রয়েছে। এসব খামারি পশু পালন করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু এবার বাইরের জেলা থেকে ব্যাপারীদের আগমন না ঘটায় জেলার হাটগুলোতে রয়েছে ক্রেতা সংকট, ফলে ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না বিক্রেতারা।
এছাড়াও হাটগুলোতে কোরবানীর উপযোগি প্রচুর পরিমাণে মহিষ, ভেড়া, ছাগল উঠলেও তুলনামূলক কমদামে কিনছেন ক্রেতারা।
এ বিষয়ে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মমর্তা হাবিবুর রহমান জানান, এবার কুড়িগ্রাম জেলায় ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানীর পশু চাহিদার তুলনায় মজুদ বেশি রয়েছে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

