AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

গাজীপুরে হত্যাকাণ্ডে আতঙ্ক বাড়ছে


Ekushey Sangbad
টি আই সানি, শ্রীপুর, গাজীপুর
১২:৩৯ পিএম, ১৭ মে, ২০২৬

গাজীপুরে হত্যাকাণ্ডে আতঙ্ক বাড়ছে

গাজীপুরে একের পর এক হত্যাকাণ্ড, গণপিটুনি এবং নৃশংসতার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালালেও সহিংস ঘটনায় সাধারণ মানুষের প্রাণহানি বন্ধ হয়নি।

অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর পুলিশের তৎপরতা দেখা গেলেও, অপরাধ প্রবণতা হ্রাসের ব্যাপারে তেমন কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না বলে জানান বাসিন্দারা। তাদের প্রশ্ন, কোন দিকে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি।

এর মধ্যে গত সাড়ে চার মাসে (জানুয়ারি-১৬ মে) ১৬টি হত্যাকাণ্ড ঘটলেও এগুলোকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি বলতে নারাজ পুলিশ। তবে স্থানীয় লোকজন বলছেন, একের পর এক এই ধরনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকাবাসী পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। পুলিশের এমন বক্তব্য ‘দায়িত্বহীন’ এবং প্রতিটি ঘটনার জন্য পুলিশকে দায় নিতে হবে।

সাধারণ জনগন বলছেন পুলিশের দায়িত্ব পালনে অনিহা দেখা যাচ্ছে। পুলিশ টহল বৃদ্ধি ও প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে আইনের আওতায় আনতে হবে। তারা অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন যেন এমন ঘটনা আর না ঘটে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের শৈলাট গ্রামে হাতুড়ির আঘাতে জুট মিল শ্রমিক বিল্লাল হোসেন (৪০) নিহত হয়েছে। এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে স্ত্রীর সাথে পরকিয়া সন্দেহে স্বামী জানু মিয়া টিমেক্স জুটমিল কারখানার সামনে হাতুড়ি দিয়ে হামলার ঘটনা ঘটে।

রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের জয়দেবপুরে বাবার কাছে নালিশ দিতে চাওয়ায় ছোট ভাইকে হত্যা করে আপন বড় ভাই আলামিন হোসেন। বাবার কাছে মোবাইল কেনার বায়না ধরে মাদরাসা ছাত্র আব্দুর রাহিম (১৩)। বড় ভাই আলামিন হোসেন বিষয়টি দেখে ছোট ভাই আব্দুর রাহিমকে ভয় দেখানোর জন্য বাড়ির অদূরে নিয়ে যান।

সেখানে তাকে মাফলার দিয়ে গজারী গাছের সঙ্গে বাঁধেন এবং মুখ স্কচটেপ দিয়ে আটকে দেন। এরপর রাহিমকে চর-থাপ্পড় মেরে মুখের স্কচটেপ খুলে দিলে রাহিম পুরো ঘটনা তার বাবাকে বলে দিবে বললে আলামিন ছোট ভাই রাহিমকে শ^াসরোধ করে হত্যা করে মাটিচাপা দেয়।

বুধবার (৪ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাজীপুর মহানগরের পূর্ব ধীরাশ্রম এলাকা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) গাজীপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান মোল্লার (৬৫) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দুর্বৃত্তরা তাকে হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে ধীরাশ্রম এলাকার একটি সড়কের পাশে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। পাশাপাশি ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরশাদী ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামে ভাই ভাই ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এবং সিকদার ওয়ার্কশপের মালিকের মধ্যে মেশিনের ফর্মা তৈরি নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়। ওয়ার্কশপ মালিকের বিরোধের জেরে সংঘর্ষে বৃদ্ধ হাবিবুর রহমান হবি সিকদার (৭০) নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার চন্নাপাড়া এলাকার নাজমুল হাসানের বাড়ির পাশের ডোবা থেকে অজ্ঞাত পরিচয় নারীর তিন খণ্ড মরদেহ করে পুলিশ। সকাল থেকেই এলাকায় উৎকট দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল।

দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে ডোবায় কচুরিপানার ভেতর মিললো নারীর খণ্ডিত মরদেহ। অন্য কোথাও ওই নারীকে হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শরীরের অংশগুলো ডোবায় ফেলে রাখা হয়েছে দাবি পুলিশের।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দিবাগত রাত ২টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী ইউনিয়নের পিরুজালী (মধ্যপাড়া) গ্রামে শ^াশুড়ি আসমা আক্তারকে (৫৫) গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ^াসরোধে হত্যা করে একমাত্র পূত্রবধূ আরিফা আক্তারের (২৬)।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা (জংলাপাড়া) এলাকার মাসুদ মিয়ার বাড়ি থেকে ঝর্ণা আক্তার (১৬) নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্ত্রীকে হত্যার পর প্রতিবেশীকে ফোন করে মরদেহ উদ্ধার করতে বলেন স্বামী তাকওয়া পরিবহনে মিনিবাস চালক অপু।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) ভোরে টঙ্গী পূর্ব থানার উত্তর বনমালা এলাকায় নিজ ঘর থেকে ছেলে সাকিবুর রহমান (১৮) এবং বাড়ীর পাশের রেল লাইনের পাশ থেকে বাবা সোহেল রানার (৫০) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খালাতো বোনের সঙ্গে প্রেমের জেরে মুখ চেপে ধরে এবং হাত-পা বেঁধে ধারালো ব্লেড দিয়ে হাত ও পায়ের রগ কেটে প্রথমে ছোট ভাইকে খুন করে। ঘটনা দেখে ফেলায় বাবাকে খুন করে বড় ভাই সাইফুর রহমান সোহান (২৮)।

একই দিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের মেঘডুবি এমএম নিয়াজ উদ্দিন স্কুলের পাশের একটি বাড়ির নিজ কক্ষ থেকে কুলসুম বেগম (৪৫) নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কুলসুম বেগম ওই এলাকার মৃত আতাব উদ্দিনের মেয়ে। ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড দাবি করেছে নিহতের পরিবার।

রবিবার (৩ মে) গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পূর্বপাড়া এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ। নিহতের মমতাজ খাতুন (২২) তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা গ্রামের ময়নাল হকের মেয়ে। তিনি স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।

শনিবার (৯ মে) কাপাসিয়া উপজেলার রাওতকোনা গ্রামে এক পরিবারের নারী, তার তিন মেয়ে এবং ভাইসহ পাঁচ জনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। শনিবার (১৬ মে) দুপুর ২টার দিকে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার ঘোড়দৌড় পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় অভিযুক্ত ও নিহত নারীর স্বামী ফোরকান মিয়ার (৪০) লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে একে পারিবারিক কলহজনিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহ করছে।

একই দিন সন্ধ্যায় শ্রীপুরের প্রহলাদপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জয়নাল মোকামিকে (৬২) সালিশ বৈঠকে  ডেকে ইউপির সদস্যের নেতৃত্বে পিটিয়ে আহত করা হয়। দুইদিন পর সোমবার (১১ মে) গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ মেডকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত জয়নাল মোকামি প্রহলাদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলেন।

রবিবার (১০ মে) ভোরে কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাগচালা বাজার এলাকায় গরু চুরির অভিযোগে তিন জনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

নিহতরা হলেন সিলেট সদর উপজেলার ঘাসিটোলার কমলা কান্তের ছেলে কৃষাণ (৪৬), জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের বদনী ভাংনা গ্রামের শরাফত আলীর ছেলে আজহারুল ইসলাম (৩৬) এবং রাজধানীর মিরপুরের মধ্য পীরেরবাগ এলাকার আবদুল বারেকের ছেলে সেলিম (৩৮)।

পুলিশ জানিয়েছে নিহত ব্যক্তিরা পেশাদার গরুচোর ও ডাকাত ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা আছে। তিন জনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দুটি পৃথক মামলা হয়েছে। দুই মামলায় অজ্ঞাতনামা ৫০০ জনকে আসামি করা হয়। তবে কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

একই দিন দুপুরে কাপাসিয়া উপজেলার রায়েদ ইউনিয়ন এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক মধ্য বয়সী পুরুষের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। কচুরিপানার সঙ্গে নদীতে লাশটি ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। পুলিশের ধারণা ওই ব্যক্তিকে কয়েক দিন আগে কে বা কারা হত্যা করে লাশটি নদীতে ফেলে দিতে পারে। পরবর্তীতে পানিতে দীর্ঘ সময় থাকায় লাশটি ফুলে ভেসে ওঠে।

সোমবার (১১ মে) রাতে মহানগরীর গাছা থানাধীন উজারপাড়া মহরের বাড়ি এলাকায় অটোরিক্সা চালক শুভকে (১৬) গলা কেটে হত্যা করা হয়। খবর পেয়ে পরদিন মঙ্গলবার (১২ মে) ভোরে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

সবশেষ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের ডোয়াইবাড়ি (উত্তরপাড়া) বগার ভিটা এলাকার গজারি বনের ভিতর থেকে অটোরিক্সা চালক আসিফ হোসেনের (২১) গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বুধবার (১৩ মে) দুপুরে স্ত্রীর সাথে দুপুরের খাবার শেষে বিকেল ৫টার দিকে বাড়ি থেকে অটোরিক্সা নিয়ে বের হয় আসিফ। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে নিহতের শ্যালক জিসান বাড়ীর পাশে রাজাবাড়ী-শ্রীপুর সড়কের পূর্ব পাশে গজারি বনের ভেতর নিচু জমিতে আসিফের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।

পুলিশের কার্যকর ভূমিকা না থাকায় আইন হাতে তুলে নেয় স্থানীয়রা

এসব ঘটনাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হিসেবে দেখছেন স্থানীয় লোকজন। কালিয়াকৈরের ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের বাগচালা গ্রামের আবুবকর সিদ্দিক বলেন, আমাদের ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গরু চুরি, ছিনতাই ও মাদকসহ নানা অপরাধ বেড়েই চলছে। এসব ঘটনায় পুলিশ কার্যকর কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছিল। গ্রামবাসী গত কয়েকদিন ধরে রাতে বিভিন্ন স্থানে পাঁচ জনের একটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে পাহারা দিচ্ছিলেন। এর মধ্যে ডাকাতদের পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। পুলিশ যদি কার্যকর পদক্ষেপ নিতো তাহলে মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিতো না।

একই ইউনিয়নের সলংগা গ্রামের আব্দুল জব্বার বলেন, কোনও ঘটনা ঘটনার পর অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনলে এসব ঘটনা ঘটতো না।

ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মফিজ উদ্দিন মোল্লা বলেন, মানুষের মধ্যে আইন হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে। কথায় কথায় হত্যা ও খুনোখুনিতে জড়াচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বলতে নারাজ পুলিশ

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কালিয়াকৈর থানার ফুলবাড়ীয়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, জনবল কম থাকায় যথা সময়ে সব এলাকায় টহল দেওয়া সম্ভব হয় না। বর্তমানে টহল জোরদার করা হয়েছে। আগের চেয়ে চুরি ও ছিনতাই অনেকটাই কমে এসেছে।

তবে এসব ঘটনাকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বলতে নারাজ গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) খন্দকার আশফাক উজ্জামান। তিনি বলেন, কাপাসিয়া এবং কালিয়াকৈরে ঘটনা দুটি ভিন্ন। প্রেক্ষাপটও আলাদা। একটির ঘটনা ধরেন আমরা জানি এবং চিহ্নিত হয়েছে ও মোটিভ বোঝা যাচ্ছে। এটা নিয়ে আমরা কাজ করতেছি।

কালিয়াকৈরের ঘটনা চুরি করতে গিয়েছিল। মানুষ তাদের এলাকায় পাহার দেয়। ওই এলাকায় পুলিশের দুটি টিমের পাশাপাশি টহল টিমও কাজ করে। তবু মানুষের ক্ষোভ থামানো যায় না। মানুষ পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। আইনগত যেটা হওয়ার কথা আমরা সেটা দেখবো। আর কাপাসিয়ার ঘটনা পারিবারিক কেন্দ্রিক।

ফলে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কনসার্ন হওয়ার মতো অর্থাৎ একবারে সব ভেসে যাচ্ছে এরকম একদমই না। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি আমাদের নিয়মিত যে কাজগুলো মাদক মামলা, ওয়ারেন্টসহ যা কিছু আছে এসবের কাজের ফাঁকে ফাঁকে আমাদের যে টহল চলমান রয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে, এটি আমরা বলছি না।

গাজীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) শরিফ উদ্দিন বলেন, কাপাসিয়ার ঘটনা পারিবারিক। অন্য ঘটনাগুলো সহিংসতা। আর এসব ঘটনায় পুলিশ পদক্ষেপ নিচ্ছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

 

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!