গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গায় চলতি বোরো মৌসুমে নির্বাচিত ধানক্ষেতে ‘অতন্দ্র জরিপ’ পদ্ধতির কার্যক্রম চালানো হয়েছে।
কৃষি বিভাগের ভাষ্যমতে, উপজেলা কৃষি বিভাগের বাস্তবায়নে সাধারণত কৃষকদের সচেতন করতে ধানের উপকারী ও অপকারী লুকানো পোকা শনাক্তকরণে এ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। এতে কৃষকরা অনেকটা উদ্বুদ্ধ হয়ে এই পদ্ধতি অবলম্বন করে ধানের পোকা দমনে আশার আলো দেখছেন। ইতিমধ্যে কৃষকদের মাঝে এই পদ্ধতি ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্যের দিকনির্দেশনায় নলডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর কাটা প্রতাপ গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলামের নির্বাচিত ‘অতন্দ্র জরিপ’ ব্লকভুক্ত ৪০ শতাংশ বোরো খেতে প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষকের উপস্থিতিতে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে বিভিন্ন ধরনের পোকা চিহ্নিতকরণ এবং তা দমনে বাস্তব কৌশল প্রদর্শন করা হয়।
কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ধানে পোকামাকড় ও রোগবালাই নির্মূলে বিশেষ এই পদ্ধতি অনুসরণ করলেই ধানখেতের তাৎক্ষণিক প্রকৃত অবস্থা জানা যায়। এছাড়া পোকা শনাক্তকরণের পর তা দমনে প্রয়োজন অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। এজন্য কৃষকদের অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
এসময় উপস্থিত উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা আবদুর রব বলেন, কাঙ্ক্ষিত ফসল উৎপাদনে কৃষকদের দায়িত্বশীল হতে হবে। ধানে যেকোনো ধরনের পোকামাকড়ের আক্রমণ ও রোগবালাই দমনসহ যথাসময়ে খেতের পরিচর্যায় সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করলে অধিক ফলন পাওয়া সম্ভব।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি অফিসার উত্তম কুমার বলেন, ‘অতন্দ্র জরিপ’ পদ্ধতি কৃষকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ধানখেত থেকে কোনাকুনি ভাবে ২০টি ধানের গোছা তুলে তা থেকেই উপকারী ও অপকারী পোকা নির্ণয় করা যায়। সে অনুযায়ী কীটনাশক ব্যবহার করলে শনাক্তকৃত পোকার আক্রমণ থেকে দ্রুত রক্ষা পাওয়া যায়।
একুশে সংবাদ/যাবিদ



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

