জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি প্রার্থী ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, লক্ষ্মীপুরের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো খুবই স্পষ্ট, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। যারা এসব করছেন, তারা কি আসলেই চান নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে হোক?
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নের বটতলা গ্রামে জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপির হামলা ও বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের কর্মসূচিতে বাধা ও হুমকির প্রতিবাদে জেলা জামায়াত এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, “প্রশাসন কখনও কখনও একপেশী নীতি অবলম্বন করছে। একপক্ষ মামলা দিতে গেলে বলা হচ্ছে, ‘আরেক পক্ষও মামলা দিবে, নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করুন’। এ ধরনের কথা থাকা উচিত নয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি প্রত্যাশা করি। আমরা রাতেই এজাহার দিয়েছি, প্রশাসন এখনো মামলা গ্রহণ করেনি। তাহলে কি প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে? যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের অবশ্যই গ্রেফতার করতে হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন জামায়াতের লক্ষ্মীপুর জেলা সেক্রেটারি এ আর হাফিজ উল্লাহ। এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমীর এডভোকেট আবুল ফারাহ নিশান, চন্দ্রগঞ্জ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম খান সুমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার চরশাহী ইউনিয়নে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রাতেও জেলা সদর হাসপাতালে উভয়পক্ষের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে শ্লোগান দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে জামায়াতের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিলও বের করেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

