বিজয় দিবস সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ফুল বিক্রেতারা। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শহীদ মিনারে ফুল দিতে আসবেন—এমন প্রত্যাশায় বিপুল পরিমাণ ফুলের মালা ও তোড়া প্রস্তুত করা হচ্ছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের হাইস্কুল রোডে গড়ে ওঠা ফুল মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, ফুল বিক্রেতারা আকর্ষণীয়ভাবে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানোর জন্য ফ্রেমে ফুল সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ইতোমধ্যে সরকারি, আধা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির কাছ থেকে অগ্রিম অর্ডার পেয়েছেন ফুল ব্যবসায়ীরা। নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্ডার সরবরাহ দিতে দোকানে দোকানে চলছে মালা তৈরির ব্যস্ততা। আকারভেদে ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত দামের পুষ্পস্তবকের মালা তৈরি করা হচ্ছে।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার ফুল ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি বছর বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবসে ফুলের চাহিদা বেড়ে যায়। এ বছর ফুলের দাম কিছুটা বেশি হলেও চাহিদা কমেনি। বর্তমানে তাদের দম ফেলারও ফুসরত নেই বলে জানান তারা।
ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাব হোসেন খান, আনসার ও ভিডিপির দলনেতা সবুজ হোসেন, সেলিম রেজা এবং বেসরকারি চাকরিজীবী মাহবুবুর রহমানসহ কয়েকজন ক্রেতা জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তারা ফুল কিনতে এসেছেন।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার সবচেয়ে বড় ফুল ব্যবসায়ী তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি বছর মহান বিজয় দিবসসহ গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোতে প্রচুর ফুল বিক্রি হয়। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ ব্যক্তি পর্যায় থেকেও আগাম অর্ডার এসেছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্ডার অনুযায়ী ফুল সরবরাহ করাই এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

