গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা সদর টেংরাখোলা বাজারে দইয়ের বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে “বিনয়ের টক দই”। খাঁটি দুধের ঘনত্ব আর নিখুঁত প্রক্রিয়ায় তৈরি এই দই স্বাদ, ঘ্রাণ ও মানে ভোক্তাদের মন জয় করেছে অল্প সময়েই। এখন ছোট থেকে বড়, সব আয়োজনেই এই দইয়ের উপস্থিতি অনিবার্য হয়ে উঠছে।
ক্রেতারা বলছেন, বিনয়ের দইয়ের স্বাদ একবার মুখে নিলে সহজে ভোলা যায় না। নিয়মিত ক্রেতা কামরুল হাসান জানান— “আগেও অনেক দই খেয়েছি, কিন্তু বিনয়ের দইয়ে যে টক-মিষ্টি মিশ্র স্বাদ পাওয়া যায়, সেটা একেবারেই আলাদা।”
উদ্যোক্তা বিনয় পাল বলেন— “আমি দই তৈরি করি নিজের পরিবারের জন্য যেমনটা করতাম, ঠিক সেভাবেই। খাঁটি দুধ ছাড়া দই তৈরি করি না। কোনো ভেজাল বা কেমিকেল ব্যবহার করি না।”
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর থাকে মুকসুদপুর উপজেলার টেংরাখোলা বাজারের পাইলট স্কুল রোডের বিনয় পালের মিষ্টির দোকান। বিশেষ করে সপ্তাহের শেষের দিনগুলোতে মুকসুদপুরের বাইরেও অনেকে আসেন শুধু দই কিনতে। বিয়ে, জন্মদিন বা সামাজিক অনুষ্ঠানেও এখন অন্যতম আকর্ষণ এই দই।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, শুধু মুকসুদপুর নয়, অচিরেই ঢাকাসহ সারাদেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে বিনয়ের টক দই।
স্বাদে অনন্য, গুণে ভরপুর আর মানে সেরা—সব মিলিয়ে বিনয়ের টক দই মুকসুদপুরের মানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছে। ভোক্তাদের আশা, এই স্বাদ একদিন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

