মাদারীপুর শিবচর উপজেলার সূর্যনগরের পাশেই সংযোগ সড়কের সঙ্গে মসজিদটি অবস্থিত। মসজিদটির নির্মাণশৈলীর সৌন্দর্য দেখে সবার নজর কাড়ে। রাত হলে তো কোনো কথাই নেই।
রাতের অন্ধকারের মধ্যে আলোকসজ্জার কারণে মসজিদের সৌন্দর্য আরও বেড়ে যায়। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে মানুষ ভিড় করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের পশ্চিম পাশে মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নে ইলিয়াস আহম্মেদ চৌধুরী কলেজ ক্যাম্পাসেই মসজিদটি অবস্থিত। ইলিয়াস আহম্মেদ চৌধুরী কলেজ জামে মসজিদটি নির্মাণ করতে সময় লেগেছে ৩ বছর। ২০২০ সালের শেষের দিকে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়।
মসজিদটির অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য আছে। এরমধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো মসজিদের নির্মাণশৈলী, গম্বুজের কারুকাজ, মসজিদের ভেতরে আট পাখা বিশিষ্ট ৪টি বৈদ্যুতিক ফ্যান। বৈদ্যুতিক ফ্যানগুলো ১২ ফুট দৈর্ঘের। যা চীন থেকে আনা হয়েছে।
ফ্যানগুলো পুরো মসজিদকে সার্বক্ষণিক শীতল রাখে। মসজিদে আরও আছে তুর্কি থেকে আনা ঝাড়বাতি। মসজিদটির মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত ২৫ ফুট উঁচু।
মসজিদের চারপাশে বড় আকারের একাধিক জানালা থাকায় পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে। তাছাড়া সন্ধ্যার পর মসজিদের লাইট জ্বালানো হলে অদ্ভুত এক সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। যা চারপাশের অন্ধকারের মধ্যে মসজিদের রঙিন আলোয় অন্যরকম ও ব্যতিক্রম এক সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। যা দেখে যে কারো নজর কেড়ে নেয়। ফলে মসজিদ দেখার জন্য রাতেও লোকজন ভিড় করে।
তাছাড়া প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজ আদায়ের জন্য দূর-দূরান্ত থেকে মুসল্লি ও দর্শনার্থী এখানে ছুটে আসেন। রমজান মাসে খতমে তারাবির নামাজে অংশ নিতেও মুসল্লিদের ভিড় দেখা যায়। এ মসজিদে একজন ইমাম, একজন মুয়াজ্জিন ও দুজন খাদেম আছেন।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

