বিশ্বকাপের শেষ কোয়ার্টার ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেও জয়-পরাজয়ের ফয়সালা হয়নি। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ১-১ সমতায় শেষ হওয়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের খেলায় গড়িয়েছে আর্জেন্টিনা ও সুইজারল্যান্ডের লড়াই।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। নবম মিনিটে লিওনেল মেসির নেওয়া কর্নার থেকে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। সুইস ডিফেন্ডারদের বিভ্রান্তির সুযোগে বল জালে পাঠানো হলে গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলের কিছুই করার ছিল না। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।
বিরতির পর ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে সুইজারল্যান্ড। শুরুতেই ব্রিল এম্বোলোর পাস থেকে ড্যান এনদোয়ে সুযোগ পেলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণে থাকা লিসান্দ্রো মার্টিনেজ দুর্দান্ত ব্লকে সম্ভাব্য গোল ঠেকিয়ে দেন। যদিও পরে অফসাইডের পতাকা ওঠায় সেই আক্রমণটি বাতিল হয়ে যায়।
এরপরও একের পর এক আক্রমণ চালায় সুইসরা। এনদোয়ের একটি হেড এবং দূরপাল্লার আরেকটি জোরালো শট দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
অবশেষে ৬৭তম মিনিটে সমতায় ফেরে সুইজারল্যান্ড। বাঁ প্রান্তে দারুণ এক পাস আদান-প্রদানের পর এনদোয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে নেওয়া কোণাকুণি শটে জাল খুঁজে নেন।
সমতায় ফেরার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই বড় ধাক্কা খায় সুইজারল্যান্ড। ৭২তম মিনিটে ভিএআর পর্যালোচনার পর ফাউলের অভিনয়ের দায়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ব্রিল এম্বোলো। ফলে ম্যাচের শেষ প্রায় ১৮ মিনিট ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় সুইসদের।
সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের শেষদিকে নিকো গঞ্জালেজের ক্রস থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যোগ করা সময়ে মেসির দূরপাল্লার বাঁকানো শট অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে যায়। শেষ মুহূর্তে মেসির কর্নার থেকে লিসান্দ্রো মার্টিনেজের অ্যাক্রোবেটিক শটও সহজেই আটকে দেন সুইস গোলরক্ষক কোবেল।
ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয় নির্ধারিত সময়। সেমিফাইনালের শেষ টিকিটের লড়াইয়ের নিষ্পত্তির জন্য ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

