AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

কালো আর্মব্যান্ড হাতে খেলছে আর্জেন্টিনা, কারণ কী?


Ekushey Sangbad
স্পোর্টস ডেস্ক
০৮:০৩ এএম, ১২ জুলাই, ২০২৬

কালো আর্মব্যান্ড হাতে খেলছে আর্জেন্টিনা, কারণ কী?

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়দের হাতে কালো আর্মব্যান্ড দেখা গেছে। দেশের সাবেক অধিনায়ক ও কিংবদন্তি মিডফিল্ডার আন্তোনিও উবালদো রাট্টিনের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ এবং তার প্রতি সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নেয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

৮৯ বছর বয়সে শনিবার (১১ জুলাই) মারা যান আর্জেন্টাইন ফুটবলের এই কিংবদন্তি। তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। সংস্থাটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফিফা কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামার অনুমতি দেয়। ম্যাচ শুরুর আগে রাট্টিনের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নীরব শ্রদ্ধাও নিবেদন করেন আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা।

ক্লাব ক্যারিয়ারের প্রায় পুরোটা সময় বোকা জুনিয়র্সের জার্সিতেই কাটিয়েছেন রাট্টিন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে মূল দলে অভিষেকের পর টানা ১৫ বছর ক্লাবটির হয়ে খেলেন তিনি। এ সময়ে ৩৮২টি ম্যাচে মাঠে নামেন এবং প্রতিটি ম্যাচেই ছিলেন শুরুর একাদশে।

অধিনায়ক হিসেবে বোকা জুনিয়র্সকে একাধিক সাফল্য এনে দেন রাট্টিন। তার নেতৃত্বে ১৯৬২, ১৯৬৪ ও ১৯৬৫ সালে লিগ শিরোপা জেতে ক্লাবটি। এছাড়া ১৯৬৯ সালে কোপা আর্জেন্টিনাও জিতেছিল বোকা জুনিয়র্স। রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডে তার দৃঢ় উপস্থিতি এবং নেতৃত্বগুণের কারণে ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়।

জাতীয় দলের হয়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন রাট্টিন। ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার জার্সিতে খেলেন তিনি। অংশ নেন ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপ এবং ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে। জাতীয় দলের হয়ে মোট ২১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন তিনি, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল বিশ্বকাপের ম্যাচ। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার ঝুলিতে রয়েছে একটি গোলও।

১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপের একটি ঘটনা রাট্টিনকে ফুটবল ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয় করে রেখেছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মান রেফারি রুডলফ ক্রাইটলাইন তাকে মাঠ থেকে বের করে দেন। সে সময় ফুটবলে লাল ও হলুদ কার্ডের প্রচলন না থাকায় সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। প্রতিবাদস্বরূপ প্রায় ১০ মিনিট মাঠ ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

ফুটবল ইতিহাসের প্রচলিত বিবরণ অনুযায়ী, সেই বিশ্বকাপের এমন বিতর্কিত ঘটনাগুলোই পরবর্তীতে রেফারি কেন অ্যাস্টনকে লাল ও হলুদ কার্ড চালুর ধারণা দিতে ভূমিকা রাখে। অবশেষে ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্ড ব্যবস্থার সূচনা হয়।

‘এল রাতা’ নামে পরিচিত রাট্টিন ছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবলে নেতৃত্ব, সংগ্রামী মানসিকতা এবং নিষ্ঠার প্রতীক। তার মৃত্যুতে শোক জানাতেই সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!