নির্ধারিত সময় পর্যন্ত দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তুলে বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্টের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল পানামা। তবে যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তের গোলে সেই স্বপ্ন ভেঙে দেয় ঘানা।
ম্যাচের ৯৫তম মিনিটে কালেব ইয়েরেঙ্কির একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় আফ্রিকার দলটি। ফলে ‘এল’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পূর্ণ তিন পয়েন্ট অর্জন করে ২০১০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালিস্টরা।
টরন্টোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় ব্র্যান্ডন থমাস আসান্তের তৈরি করা সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন ইয়েরেঙ্কি। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণ গড়ে তুলে গোলমুখে বল বাড়িয়ে দেন আসান্তে, সেখান থেকেই জালে বল জড়িয়ে দেন ইয়েরেঙ্কি।
যদিও পুরো ম্যাচজুড়ে আধিপত্য ছিল পানামার। দলটি ৬২ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে এবং ১১টি শট নেয়। বিপরীতে ঘানা নেয় ৮টি শট।
ম্যাচের অন্যতম নায়ক ছিলেন ঘানার বদলি গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে। দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমে তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন, যার মধ্যে বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া দুটি নিশ্চিত গোলের সুযোগও ছিল। তাঁর দৃঢ়তায় দীর্ঘ সময় গোলশূন্য থাকে ম্যাচ।
তবে শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় গোলে পরাজয় মেনে নিতে হয় পানামাকে। এতে আট বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে প্রথম ম্যাচে জয় বা ড্র—কোনোটিই পাওয়া হলো না তাদের।
অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার থমাস পার্টিকে ছাড়াই মাঠে নামে ঘানা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান ধর্ষণের অভিযোগের কারণে কানাডা কর্তৃপক্ষ তাঁকে ভিসা দেয়নি।
ম্যাচের প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করে পানামাই। দ্বিতীয় মিনিটে সিসিলিও ওয়াটারম্যানের শট ঘানার গোলরক্ষক আতি জিগি দারুণভাবে রুখে দেন। পরে চোটের কারণে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন তিনি। তাঁর পরিবর্তে নেমে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বেঞ্জামিন আসারে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

