নাসুম আহমেদের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। বিপিএলের ম্যাচে মাত্র ৬১ রানে গুটিয়ে যায় নোয়াখালীর ইনিংস। জবাবে ৬ উইকেট হাতে রেখেই সহজ জয় তুলে নেয় সিলেট টাইটান্স।
নাসুম আহমেদ ছিলেন ম্যাচের প্রধান নায়ক। বাঁহাতি এই স্পিনার মাত্র ৪ ওভারে ৭ রান খরচ করে শিকার করেন ৫ উইকেট। তার দুর্দান্ত স্পেলে ভেঙে পড়ে নোয়াখালীর ব্যাটিং লাইনআপ। এটি বিপিএল ইতিহাসের চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ এবং চলতি আসরের সর্বনিম্ন স্কোর।
৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় সিলেট। মাত্র ১ রানেই পারভেজ হোসেন ইমন আউট হন। তবে অন্য প্রান্তে ঝড়ো ব্যাটিং করেন তৌফিক খান। ১৮ বলে ৭টি চার হাঁকিয়ে ৩২ রান করে তিনি জয়ের পথ সহজ করে দেন। জয় থেকে মাত্র ৮ রান দূরে থাকতে জহির খানের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
এরপর কিছুটা নাটকীয়ভাবে আরও দুটি উইকেট হারায় সিলেট। আফিফ হোসেন ও জাকির হাসান পরপর আউট হন জহিরের বলে। আফিফ ৫ বলে ২ রান করে স্লিপে ক্যাচ দেন। আর ২৪ রান করা জাকির লং অফে ধরা পড়েন।
শেষ পর্যন্ত মঈন আলী ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। জহির খানের করা একটি ওয়াইডে নিশ্চিত হয় সিলেটের জয়।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালী এক্সপ্রেস শুরু থেকেই ধসের মধ্যে পড়ে। সৌম্য সরকার, মুনিম শাহরিয়ার ও মোহাম্মদ নবীর মতো অভিজ্ঞ ব্যাটার থাকলেও কোনো প্রতিরোধ গড়ে ওঠেনি। মাত্র দুই ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। উইকেটকিপার মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন। হাবিবুর রহমান সোহান করেন ১৮ রান।
নোয়াখালীর চার ব্যাটার কোনো রান না করেই সাজঘরে ফেরেন— হাসান মাহমুদ, মেহেদী হাসান রানা, জহির খান ও বিলাল সামি। মোহাম্মদ নবী ১০ বল খেলে করেন মাত্র ১ রান। ১৪.২ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ৬১ রানে থামে তাদের ইনিংস।
নাসুম আহমেদের পাঁচ উইকেটের পাশাপাশি একটি করে উইকেট নেন আমির ও খালেদ।
উল্লেখ্য, বিপিএল ইতিহাসে সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ ৪৪ রান, যা ২০১৬ সালে খুলনা টাইটান্স করেছিল। ৫৮ ও ৫৯ রানের মতো কম স্কোরও রয়েছে টুর্নামেন্টের আগের আসরগুলোতে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

