নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বৈঠক হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে শুরু হওয়া এ বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও তাহমিদা আহমদ, নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব উপস্থিত রয়েছেন।
ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি এবং এ-সংক্রান্ত সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে।
গত ২৪ জুলাই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্বে রয়েছেন।
সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসাবে আগামী ২২ অক্টোবরের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার আশা করছে সরকার।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে আলোচনার পর নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী এ তফসিল প্রকাশ করা হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হিসেবে অংশ নেবেন জাতীয় সংসদের সদস্যরা। বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৩৪৯ জন সদস্য রয়েছেন; একটি আসনের গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি।
আইন অনুযায়ী, একজন রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। এছাড়া প্রার্থীর সম্মতিসূচক স্বাক্ষরও প্রয়োজন। একাধিক প্রার্থী হলে সংসদ সদস্যরা গোপন ব্যালটে ভোট দেবেন। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সমান ভোট হলে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণ করা হবে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

