পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের নদী ও খাল দখল এবং দূষণের বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটাই এড়ানো সম্ভব হতো।
তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার খাল পুনঃখননের পাশাপাশি নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
সোমবার সচিবালয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপিও উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা এবং পরিবেশ-প্রকৃতি রক্ষায় পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, তিস্তা নদীর সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন ও অর্থনীতি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে তিস্তার পানির সর্বোত্তম ব্যবহারের লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা ও কারিগরি মূল্যায়ন চলছে।
সভায় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে পরিবেশ, প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, বর্তমানে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের আগে একাধিক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার মাধ্যমে পরিবেশগত প্রভাব ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
বাপার নেতৃবৃন্দ সভায় নদী, খাল-বিল ও জলাশয় রক্ষায় এবং দখল-দূষণ প্রতিরোধে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়কে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। জবাবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাপার নেতৃবৃন্দকে সঠিক তথ্য ও গঠনমূলক পরামর্শ দিয়ে নদী, খাল-বিল এবং জলাশয় সংরক্ষণে সরকারের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম. শাহাবুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। বাপার প্রতিনিধিদলের মধ্যে সভাপতি নুর মোহাম্মদ তালুকদার, সহসভাপতি খুশি কবির, ড. শহীদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির উপস্থিত ছিলেন।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

